ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে মেঘনা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় পর্যটকবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় বাল্কহেডের ইঞ্জিন মিস্ত্রিরি আল-আমিন (২৪) কে গ্রেফতার করেছে ভৈরব নৌ-থানা পুলিশ। এছাড়া বাল্কহেডের সুকানি হৃদয় পলাতক রয়েছে।
এর আগে গত ২৩ মার্চ নৌকা ডুবির ঘটনায় নিহত পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানার বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে বাল্কহেডের ইঞ্জিন মিস্ত্রি ও সুকানিসহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করে আশুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এরই প্রেক্ষিতে বুধবার (১ মে) বিকালে নরসিংদীর রায়পুরার আব্দুল্লার চর এলাকায় ভৈরব নৌ-পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এসময় বাল্কহেডটিও জব্দ করা হয়। আটককৃত আল-আমিন ঐ এলাকারই ইসমাইল মিয়ার ছেলে।
পরে আসামি কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাখাওয়াত হোসেনের আদালতে হাজির করলে আসামীর ১৬৪ ধারা জবানবন্দি শুনে ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন কে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে ভৈরব নৌ-পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদীর রায়পুরার আব্দুল্লার চর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় অভিযুক্ত ব্লাল্কহেডের ইঞ্জিন মিস্ত্রি আল-আমিনকে ব্লাকহেডসহ গ্রেফতার করি। পরে আশুগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় আসামীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ, গত ২২ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে মেঘনায় বালু ভর্তি ব্লাকহেডের ধাক্কায় পর্যটকবাহী একটি নৌকা ডুবে যায়। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়।