বড় স্বপ্ন নিয়ে ভারতে পাড়ি দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সুপার লিগের তিনে থেকে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করা দলটা, বাছাইপর্ব থেকে আসা দলগুলোর মতোও লড়াই করতে পারল না। টানা ছয় হারের লজ্জার
শুধু গুঞ্জন নয়, একরকম নিশ্চিতই ছিল। ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও আগাম জানিয়ে দিয়েছিল সবকিছু। কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম তো আগেই ব্যালন ডি’অরের ওপর তাঁর মুখও বসিয়ে দিয়েছিল। অপেক্ষাটা তাই ছিল শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখল আফগানিস্তান। ছয় ম্যাচ খেলে তিন জয়ে আফগান বাহিনী রয়েছে টেবিলের পাঁচে। সেরা চারে উঠতে এবার দলটির সামনে রয়েছে আরও তিনটি ম্যাচ। আর ওপরের চার
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচের ৫টিতে হেরেছে বাংলাদেশ। যদিও বিশ্বকাপের শুরুটাও হয়ে জয় দিয়ে, কিন্তু এরপরই যেন সব হিসেব নিকেশ পাল্টে গেল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া সাকিববাহিনীর প্রাপ্তির খাতা শূন্য।
বিশ্বকাপের শুরুটাও হয়ে জয় দিয়ে, কিন্তু এরপরই যেন সব হিসেব নিকেশ পাল্টে গেল। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচের ৫টিতে হেরেছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া সাকিববাহিনীর প্রাপ্তির খাতা শূন্য। বিশ্বকাপ
বয়স বাড়লেও বৈশ্বিক মঞ্চে রিয়াদের ব্যাটে ধার কমেনি মোটেই! ২০১৫ বিশ্বকাপ, ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৩ বিশ্বকাপ। আইসিসি ইভেন্ট মানেই যেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের চোখ ধাঁধানো পারফর্ম্যান্স। সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার
নেদারল্যান্ডসকে ৩০৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ল অস্ট্রেলিয়া। বিশ্ব আসরে এর আগে বড় জয়টি ছিল ২৭৫ রানের। সে রেকর্ডটিও ছিল অজিদেরই। দিল্লিতে বুধবার (২৫ অক্টোবর) অস্ট্রেলিয়ার দেয়া
মাহমুদউল্লাহকে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। কঠিন সময় গেলেও গণমাধ্যমে কোন কথা বলেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বিশ্রামের নামে প্রায় বাদই দিয়ে দেয়া হয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। তবে তার জায়গায় খেলা তরুণরা পারফর্ম করতে
পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬০ রানের আগেই ৫ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে একাই দলকে টেনেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। একপ্রান্ত আগলে রেখে তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। তবে ততোক্ষণে জয়ের
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ধরাসই দেবার পর এবার বাবরের পাকিস্তানকে মাটিতে নামল আফগানরা। চলতি আইসিসির ১৩তম আসরে দীর্ঘ ৮ বছর পর প্রথমবারের মতো ইংলিশকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় জয়ের দেখা পায়