মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ক্রিকেট বোর্ডে রদবদল, তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি কমিউনিটি ব্যাংকের আয়োজনে টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স ২০২৬’ ‘আল্টিমেটামের জায়গা রাজপথ, সংসদ নয়’—স্পিকার জ্বালানি সাশ্রয়ে ইলেকট্রিক স্কুল বাসে কর ছাড় সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে লাভেলো আইসক্রিম সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে লাভেলো আইসক্রিম সিলেট টিটিসির কোটি টাকার মালিক ড্রাইভার বিল্লাল স্বপদে বহাল থাকতে দৌঁড় ঝাপ ভোটার তালিকা (সংশোধন) বিল পাস, নির্বাচন ব্যবস্থায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত চলমান যুদ্ধে বিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের

বগুড়া-৬ শূন্য করল নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৫ Time View

বগুড়া-৬ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তিনি বগুড়া-৬ এবং ঢাকা-১৭ আসন দুটি থেকেই নির্বাচিত হন।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ইসিতে চিঠি দেন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদের (২)(ক) অনুযায়ী একজন সদস্য কেবল একটি আসনের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। তারেক রহমান ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্বাচনি এলাকা-১৯০ ঢাকা-১৭ এর প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা জানিয়ে কমিশনে স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্র দাখিল করেন। ফলে একই তারিখ থেকে বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্বাচন করতে পারেন। তবে সংবিধান অনুসারে নির্বাচিত হওয়ার পর একজন সংসদ সদস্য কেবল একটি আসনের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এজন্য একাধিক আসনে জয়ী হলে শপথের আগেই একটি আসন রেখে বাকি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়। নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত না জানালে জয়ী হওয়া সব আসনই শূন্য ঘোষণার বিধান রয়েছে।

আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট জারি হওয়ায় পরে এই আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে।

১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে একজন প্রার্থী কয়টি আসনে নির্বাচন করতে পারবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট সীমা ছিল না। পরে সংশোধনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ আসনের সীমা নির্ধারণ করা হয়। ১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো একজন প্রার্থীকে সর্বোচ্চ পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে ২০০৮-২০০৯ সালে আরপিও সংশোধন করে সেই সীমা কমিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি আসনে নির্ধারণ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS