1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
Title :
ইসলামী ব্যাংকে সাইবার সিকিউরিটি সচেতনতা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর ৪৩৪তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত উর্দুভাষীদের স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবি: ৫ই অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা অবৈধভাবে ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে পাচারের সময়ে মাটি ভর্তি জাহাজ জব্দ, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা নতুন ঠিকানায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সখিপুর শাখা নেটওয়ার্ক ছাড়াই ফোনে যোগাযোগ: আল্ট্রালিংক যেভাবে কাজ করে Price Sensitive Information of The IBN SINA Phamaceutical Industry PLC ৪ অক্টোবরের ইজিএম বাতিল করেছে সিটি ব্যাংক পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ফাইন ফুডস পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ

ডলার খরচে সতর্ক বাংলাদেশ ব্যাংক

  • আপডেট : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২, ১০.৩২ এএম
  • ২৪১ Time View

দেশে বর্তমানে রপ্তানির চেয়ে আমদানি বেশি। আমদানি যে হারে বাড়ছে, রপ্তানি বাড়ছে সে তুলনায় কম। এর মধ্যে আবার রেমিট্যান্সে ধারাবাহিকভাবে পতন হচ্ছে। যে কারণে চাপে পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

আট মাসের ব্যবধানে ৪৮ বিলিয়ন থেকে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে রিজার্ভ। এ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতন ঠেকাতে ডলার খরচ কমাতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোর ওপেন পজিশন লিমিট বা বৈদেশিক মুদ্রা ধারণের ক্ষমতা ছিল ২২৭ কোটি ডলার। অথচ ব্যাংকগুলোর কাছে আছে মাত্র ৭৪ কোটি ডলার। এর মানে, ধারণক্ষমতার তিন ভাগের এক ভাগ ডলার রয়েছে।

বৈদেশিক বাণিজ্য নিষ্পত্তির জন্য ব্যাংকগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের সঙ্গে যে ‘নস্ট্রো’ হিসাব খোলে, সেখানে এ অর্থ রাখা হয়। একটি ব্যাংক তার হিসাবে কী পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা রাখতে পারবে, তা ওই ব্যাংকের মূলধনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ব্যাংকিং পরিভাষায় যা ওপেন পজিশন লিমিট হিসেবে বিবেচিত। গত অর্থবছরে এবং চলতি অর্থবছরের শুরুর দিকে অনেক ব্যাংক সক্ষমতার চেয়ে বেশি ডলার ধারণ করত।

উদ্বৃত্ত ডলার আবার অন্য ব্যাংক বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে দিত। যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে প্রায়ই নতুন রেকর্ড হচ্ছিল। এখন বিক্রি তো দূরে থাক, প্রায়ই কোনো কোনো ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসছে ডলার কিনতে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের ডলারের টান শুরু হয় মূলত গত আগস্ট থেকে। আগস্টের শুরুতে আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলারের দর ছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা। সেখান থেকে বেড়ে এখন ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় উঠেছে। এর মানে, প্রতি ডলার এক টাকা ৪০ পয়সা বা এক দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। আর নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ৯১ থেকে ৯২ টাকায়। গত আগস্টে যা ৮৫ থেকে ৮৬ টাকা ছিল।

বাজার সামলাতে দীর্ঘদিন পর গত ১৯ আগস্ট কয়েকটি ব্যাংকের কাছে প্রথম ৫০ লাখ ডলার বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পর থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত বিক্রি করেছে মোট ৪২০ কোটি ডলার। এতে করে গত আগস্টে যেখানে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল, সেখান থেকে গত ১২ এপ্রিল তা ৪৪ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এ সময়ে সরকারি-বেসরকারি খাতের বিদেশি ঋণ ব্যাপকভাবে না বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমত বলে সংশ্নিষ্টরা মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com