মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নারীদের প্রতি মনোভাবেই বোঝা যায় কারা দেশ চালাতে চায়: জামায়াত ইঙ্গিতে তারেক রহমান প্রচারনায় ঝড় তুলেছেন ফুটবল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী কালিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবে পরিবেশ ও পরিযায়ী পাখি বিষয়ক পর্যটন সেমিনার অনুষ্ঠিত ক্রেডিট এনহান্সমেন্ট স্কিমের আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি ও পিকেএসএফ-এর মধ্যে ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি স্বাক্ষর ইউরোপের খ্যাতনামা এসিসি ব্র্যান্ডের কাপ্পা কম্প্রেসর উৎপাদন শুরু করলো ওয়ালটন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বাংলা কিউআর সেবা: যৌথ উদ্যোগে কমিউনিটি ব্যাংক ও জায়তুন ফিনটেক পেশাজীবীদের মধ্যে বেড়েছে প্যাডের চাহিদা ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রফেসার ইমেরিটাস হলেন ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান কুমিল্লাকে একটি বাসযোগ্য আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই- মনিরুল হক চৌধুরী

ডলার খরচে সতর্ক বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৬৪ Time View

দেশে বর্তমানে রপ্তানির চেয়ে আমদানি বেশি। আমদানি যে হারে বাড়ছে, রপ্তানি বাড়ছে সে তুলনায় কম। এর মধ্যে আবার রেমিট্যান্সে ধারাবাহিকভাবে পতন হচ্ছে। যে কারণে চাপে পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

আট মাসের ব্যবধানে ৪৮ বিলিয়ন থেকে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে রিজার্ভ। এ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতন ঠেকাতে ডলার খরচ কমাতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোর ওপেন পজিশন লিমিট বা বৈদেশিক মুদ্রা ধারণের ক্ষমতা ছিল ২২৭ কোটি ডলার। অথচ ব্যাংকগুলোর কাছে আছে মাত্র ৭৪ কোটি ডলার। এর মানে, ধারণক্ষমতার তিন ভাগের এক ভাগ ডলার রয়েছে।

বৈদেশিক বাণিজ্য নিষ্পত্তির জন্য ব্যাংকগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের সঙ্গে যে ‘নস্ট্রো’ হিসাব খোলে, সেখানে এ অর্থ রাখা হয়। একটি ব্যাংক তার হিসাবে কী পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা রাখতে পারবে, তা ওই ব্যাংকের মূলধনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ব্যাংকিং পরিভাষায় যা ওপেন পজিশন লিমিট হিসেবে বিবেচিত। গত অর্থবছরে এবং চলতি অর্থবছরের শুরুর দিকে অনেক ব্যাংক সক্ষমতার চেয়ে বেশি ডলার ধারণ করত।

উদ্বৃত্ত ডলার আবার অন্য ব্যাংক বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে দিত। যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে প্রায়ই নতুন রেকর্ড হচ্ছিল। এখন বিক্রি তো দূরে থাক, প্রায়ই কোনো কোনো ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসছে ডলার কিনতে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের ডলারের টান শুরু হয় মূলত গত আগস্ট থেকে। আগস্টের শুরুতে আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলারের দর ছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা। সেখান থেকে বেড়ে এখন ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় উঠেছে। এর মানে, প্রতি ডলার এক টাকা ৪০ পয়সা বা এক দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। আর নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ৯১ থেকে ৯২ টাকায়। গত আগস্টে যা ৮৫ থেকে ৮৬ টাকা ছিল।

বাজার সামলাতে দীর্ঘদিন পর গত ১৯ আগস্ট কয়েকটি ব্যাংকের কাছে প্রথম ৫০ লাখ ডলার বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পর থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত বিক্রি করেছে মোট ৪২০ কোটি ডলার। এতে করে গত আগস্টে যেখানে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল, সেখান থেকে গত ১২ এপ্রিল তা ৪৪ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এ সময়ে সরকারি-বেসরকারি খাতের বিদেশি ঋণ ব্যাপকভাবে না বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমত বলে সংশ্নিষ্টরা মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS