
ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩-এ নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে তিনি অসম্পূর্ণ বা অকর্মণ্য কাজের বিল করে বাজেট শেষ করার জন্য ৪ কোটির বেশি টাকা অনুমোদন করেন। এটি ঢাকা জোনের সামগ্রিক ২০০ কোটি টাকার তাড়াহুড়ো খরচের অংশ।
ভুয়া মেরামতের প্রকল্প: তেজগাঁও ল্যান্ড রেকর্ডস অফিসের বাংলো-১-এ এবং সেন্ট্রাল রেকর্ড ভবনে মেরামত (থাই গ্লাস, টাইলস, রং, সিভারেজ লাইন)১৯.৮৭ লাখ টাকার অনুমোদন (৫ জুন), কিন্তু কাজ হয়নি। এনবিআর ভবন (সেগুনবাগিচা, ব্লক-১, ২য় তলা) এবং অডিট কমপ্লেক্স (৩য় তলা) মেরামত-রংকরণের অনুমোদন (১৬ মে), কিন্তু কোনো কাজ হয়নি (দেয়াল ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায়)।
কমিশন ব্যবসা: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সতীনাথ বসাকের সাথে মিলে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ৫% কমিশন নেওয়া; অসম্পূর্ণ কাজের বিল অনুমোদন।
অফিস রেনোভেশন: নিজের অফিস রুমে ২১ লাখ টাকা খরচ (দামি টাইলস-মার্বেল বারবার পরিবর্তন, টয়লেট ফিটিংস ১০ মাস আগে)—অনিয়মের সন্দেহ। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের প্লট সংক্রান্ত অনিয়ম (২০২৩)
ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩-এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে তিনি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের ৬০ কাঠা প্লট নং-২৬৬-এর মালিকানা হস্তান্তরের সুপারিশ করেন (৩ আগস্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো রিপোর্ট), যদিও হাইকোর্টের রায় (২৫ অক্টোবর ২০১৭) দলিল-আম্মোতারনামা বাতিল করে থামানোর নির্দেশ দিয়েছে এবং ৩টি মামলা চলছে।
২০১৯-এর তদন্ত কমিটি: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২৪ অক্টোবর হাই-লেভেল কমিটি গঠন করে (আহ্বায়ক: অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি মোঃ ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী; সদস্য: তারিক হাসান, ড. মোঈনুল ইসলাম; মেমো নং: ১৫.০০.০০০০.০১৩.২৭.০০১.১০.১০৯০/১(৪))—১৫ কার্যদিবসে (৮ নভেম্বর) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নন্দিতা রানী সাহা ২ অক্টোবর মেমো দেনদুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর অফিস ৭ অক্টোবর নথি পরীক্ষা করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।ফলাফল: কমিটি শাস্তির সুপারিশ করে, কিন্তু কোনো শাস্তি হয়নি; পরিবর্তে প্রমোশন/পোস্টিং (ঝিনাইদহ থেকে চাঁদপুরে স্থানান্তর, মেমো নং: ২২৩০)। অফিস রেনোভেশনের জন্য মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ দেয়, কিন্তু কোনো আপডেট নেই।
মোঃ কায়সার ইবনে সাঈখ বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত মেট্রোপলিটন জোনের স্টাফ অফিসার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি, অনিয়ম এবং সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো মূলত ঠিকাদারী কাজের নথি জালিয়াতি, ভুয়া বিল-ভাউচার, টেন্ডার প্রক্রিয়া লঙ্ঘন এবং ঘুষ আদায়ের সাথে ভুয়া মেরামত ও রংকরণের প্রকল্পে ২.৫ কোটি টাকার বিল তোলা হলেও কাজ সম্পূর্ণ হয়নি।
ই-জিপি টেন্ডার আহ্বান করা সত্ত্বেও ম্যানুয়ালি NOA দিয়ে একজন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া।
অসম্পূর্ণ কাজের জন্য ৯ কোটির বেশি টাকা লোপাট।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণে ৩ কোটি টাকার বিল থেকে ১০% কমিশন দাবি।
তিনটি মডেল মসজিদ প্রকল্পে ১.২ কোটি টাকা ঘুষ দাবি।
হাসপাতাল নির্মাণের পর টাইলস খসে পড়া, পাইপ লিক, লিফটের ত্রুটি, তারের সমস্যা এবং OT-এর AC অকেজো।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply