
আকাশ–জমিন, রাত–দিন, কার কারিগরি?
এক বিন্দু হুকুমে রচিত এই বিশাল দুনিয়ারি।
ছিল না কিছুই—না আলো, না ছায়া, না সময়,
“কুন” বলাতেই ফুটে উঠল অস্তিত্বের নির্ভয়।
মাটির কণা থেকে মানুষ, রূহে দিলেন নূর,
জ্ঞান শেখালেন কলমে, খুলে দিলেন বোধের দ্বার।
হৃদয়ে দিলেন ইমান, চোখে দিলেন দৃষ্টি,
ভুলে গেলে পথ—পাঠালেন ওহির সৃষ্টিশক্তি।
সূর্য বলে—আমি চলি নির্ধারিত পথে,
চাঁদ জানে তার হিসাব, রাত আসে নিভৃতে।
পাতার শিরায় লেখা, নদীর ঢেউয়ে সুর,
সবই সাক্ষ্য দেয়—আল্লাহ এক, অদ্বিতীয় নূর।
মানুষ ভাবে সে স্বাধীন, শক্তি তার অপরিসীম,
মৃত্যুর এক ডাকেই ভাঙে অহংকারের সীম।
আজ যে রাজা, কাল সে মাটি, কাফনে মোড়া নাম,
সৃষ্টির রহস্য বোঝায়—সবই তাঁর ইন্তেজাম।
দুনিয়া ক্ষণিক পরীক্ষা, আখিরাত চিরস্থায়ী,
কর্মে গড়া ভবিষ্যৎ, হিসাব হবে আলাই।
যে ঝুঁকে পড়ে সিজদায়, ভাঙে নফসের প্রাচীর,
সে-ই বোঝে সৃষ্টির মানে, সে-ই পায় প্রকৃত তাসবীর।
হে রব্বুল আলামিন, এই ক্ষুদ্র বান্দার আরজি,
তোমার রহস্য বুঝে যেন কাটে জীবনের গাজী।
সৃষ্টির ভিড়ে হারিয়ে না যাই মিথ্যার ঘোরে,
তোমার দিদারই হোক শেষ সত্য—এই অন্তরের জোরে।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply