বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হবিগঞ্জ চাঁদা’দাবির অভিযোগে আটক ৩ সিইএস ২০২৬ -এ ভবিষ্যতের টেলিভিশন প্রযুক্তি তুলে ধরল স্যামসাং প্রধান উপদেষ্টা: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনকে শক্তিশালী ও লাভজনক রাখতে হবে আলহাজ্ব টেক্সটাইলের ৩৫% স্টক লভ্যাংশে বিএসইসির অনুমতি এখনও পাওয়া যায়নি বাংলাদেশের ভোট কেন্দ্রসহ সকল জায়গায় সেনাবাহিনীসহ সকল বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে-জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন গোলাম আজম সৈকত নীলফামারীর ডোমার বিএডিসিতে নতুন জাতের বীজআলু উৎপাদন আগামী ২৪ জানুয়ারি কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় ক্রীড়া উৎসব

মাধ্যমিকে থাকছে না রোল নম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৬৬১৯ Time View

মাধ্যমিক স্তরের ক্লাসে থাকছে না রোল নম্বর। ষষ্ঠ শ্রেণিতেই হবে বোর্ড রেজিস্ট্রেশন। সেটি দিয়েই শনাক্ত করা হবে শিক্ষার্থীকে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি বলছে, এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘অসুস্থ’ প্রতিযোগিতা কমবে। তবে রোল নম্বর না থাকলেও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে আলাদা গ্রুপ তৈরির পরামর্শ শিক্ষা গবেষকদের।

বর্তমানে নবম শ্রেণিতে শিক্ষা বোর্ডে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রথম পাবলিক পরীক্ষা এসএসসিতে বসে শিক্ষার্থীরা। তবে ২০২৪ সালে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরই করতে হবে বোর্ড রেজিস্ট্রেশন।

বোর্ড বলছে, রেজিস্ট্রেশনের ফলে কত শিক্ষার্থী কোন শ্রেণিতে রয়েছে, তার একটি সুস্পষ্ট চিত্র বোর্ডের কাছে থাকবে। আর রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীর তথ্য একটি অ্যাপে যুক্ত করা হবে। অ্যাপ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের পারদর্শিতার তথ্য রেকর্ড রাখা হবে। রেজিস্ট্রেশন‌ নম্বর দিয়ে শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করার সুযোগ থাকায় প্রয়োজন‌ হবে না রোল নম্বর।

এ ছাড়া আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন থাকা পাবিলক পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থী ও বোর্ড কর্তৃপক্ষের চাপ কমবে। আর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে প্রচিলত রোল নম্বর না থাকলে কমবে অসুস্থ প্রতিযোগিতা।

তিনি বলেন, পড়াশোনা হবে ইন্টারেকটিভ। সবার জন্য একই মানের হবে। নম্বরের ভিত্তিতে মূল্যায়ন না, মূল্যায়ন হবে পারফরম্যান্সের ওপর। এখানে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় থাকছে না। কাজেই অসুস্থ প্রতিযোগিতা থাকবে না।

আর শিক্ষা গবেষকরা বলছেন, রোল নম্বর থাকা না-থাকা কোনো বিষয় নয়, তবে কোন শিক্ষার্থীর কোথায় ঘাটতি তা চিহ্নিত করতে শিক্ষার্থীদের একক না হলেও গ্রুপভিত্তিক ক্যাটাগরি থাকা জরুরি।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার্থীদের একটি ক্যাটাগরিতে ফেলতে পারি অথবা দলীয়ভাবে একটি মূল্যায়নের পর্যায়ে ফেলে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করতে পারি। কিন্তু বিষয় যেটি গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হচ্ছে একধরনের প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা থাকলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখনের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। এটাকে আমরা বলি পজিটিভ ইনসেনটিভ। এই পজিটিভ ইনসেনটিভকে আমরা ব্যর্থ হয়েছি বলে সেটি খারাপ বলে যে দুর্নাম করা হচ্ছে, আমি মনে করি এটি বিশেষজ্ঞদের অজ্ঞতা। 

আর আগামী বছর অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম চালুর আগেই সরাসরি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরামর্শ তাদের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS