রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ভাসমান ১৭০ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি তেল, বাজারে স্বস্তির আভাস ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কবর জিয়ারত তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও ড. ইউনূসের মধ্যে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় গোলাপগঞ্জের প্রথম সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক আখতারুজ্জামান মারা গেছেন, বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক ইরানের কিছু তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র উৎসবের দিনে আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ, বৃষ্টি থাকতে পারে আরও একদিন ৮১ হাজার বন্দির ঈদ কারাগারে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভিআইপি ডক্টরস ক্লাব অব ভৈরবের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি মাসুদ ও সম্পাদক নজরুল দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ময়দানে দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত অবকাঠামোয় হামলা হলে ‘জিরো টলারেন্স’, ইরানের হুঁশিয়ারি

মাধ্যমিকে থাকছে না রোল নম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৬৬৩৬ Time View

মাধ্যমিক স্তরের ক্লাসে থাকছে না রোল নম্বর। ষষ্ঠ শ্রেণিতেই হবে বোর্ড রেজিস্ট্রেশন। সেটি দিয়েই শনাক্ত করা হবে শিক্ষার্থীকে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি বলছে, এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘অসুস্থ’ প্রতিযোগিতা কমবে। তবে রোল নম্বর না থাকলেও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে আলাদা গ্রুপ তৈরির পরামর্শ শিক্ষা গবেষকদের।

বর্তমানে নবম শ্রেণিতে শিক্ষা বোর্ডে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রথম পাবলিক পরীক্ষা এসএসসিতে বসে শিক্ষার্থীরা। তবে ২০২৪ সালে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরই করতে হবে বোর্ড রেজিস্ট্রেশন।

বোর্ড বলছে, রেজিস্ট্রেশনের ফলে কত শিক্ষার্থী কোন শ্রেণিতে রয়েছে, তার একটি সুস্পষ্ট চিত্র বোর্ডের কাছে থাকবে। আর রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীর তথ্য একটি অ্যাপে যুক্ত করা হবে। অ্যাপ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের পারদর্শিতার তথ্য রেকর্ড রাখা হবে। রেজিস্ট্রেশন‌ নম্বর দিয়ে শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করার সুযোগ থাকায় প্রয়োজন‌ হবে না রোল নম্বর।

এ ছাড়া আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন থাকা পাবিলক পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থী ও বোর্ড কর্তৃপক্ষের চাপ কমবে। আর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে প্রচিলত রোল নম্বর না থাকলে কমবে অসুস্থ প্রতিযোগিতা।

তিনি বলেন, পড়াশোনা হবে ইন্টারেকটিভ। সবার জন্য একই মানের হবে। নম্বরের ভিত্তিতে মূল্যায়ন না, মূল্যায়ন হবে পারফরম্যান্সের ওপর। এখানে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় থাকছে না। কাজেই অসুস্থ প্রতিযোগিতা থাকবে না।

আর শিক্ষা গবেষকরা বলছেন, রোল নম্বর থাকা না-থাকা কোনো বিষয় নয়, তবে কোন শিক্ষার্থীর কোথায় ঘাটতি তা চিহ্নিত করতে শিক্ষার্থীদের একক না হলেও গ্রুপভিত্তিক ক্যাটাগরি থাকা জরুরি।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার্থীদের একটি ক্যাটাগরিতে ফেলতে পারি অথবা দলীয়ভাবে একটি মূল্যায়নের পর্যায়ে ফেলে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করতে পারি। কিন্তু বিষয় যেটি গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হচ্ছে একধরনের প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা থাকলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখনের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। এটাকে আমরা বলি পজিটিভ ইনসেনটিভ। এই পজিটিভ ইনসেনটিভকে আমরা ব্যর্থ হয়েছি বলে সেটি খারাপ বলে যে দুর্নাম করা হচ্ছে, আমি মনে করি এটি বিশেষজ্ঞদের অজ্ঞতা। 

আর আগামী বছর অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম চালুর আগেই সরাসরি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরামর্শ তাদের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS