1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
Title :
দেশে যে সংকট চলছে তা আমাদের নয়, পতিত সরকারের: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী চ্যানেল আই এর আমরাই বাংলাদেশ টকশোতে মজিবুর রহমান ভূইয়া ও খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০,০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো প্রিমিয়ার ব্যাংক ঢাকায় আইএফআইসি ব্যাংকের আরও ২টি এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নাগরপুরে কলেজ ছাত্রকে হত্যার পর মাটি চাপার মূল হোতা গ্রেপ্তার ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ বছরের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এবং টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর টেকনো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন হামজা চৌধুরী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে বিক্রির উদ্যোগ

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় শীমের বাম্পার ফলন !! সরকারী সুবিধা বঞ্চিত চাষীরা

  • আপডেট : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১০.২৮ পিএম
  • ১৫৪ Time View

এ বছর আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় মৌসুমী সবজি শীমের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে সোনালী হাসি। এখনো শীম ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। ডিসেম্বরের প্রথম দিকে ফলন উটতে শুরু করবে বলে মনে করছেন চাষীরা। তবে অক্টোবর মাসের টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির কারনে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবছর জৈস্তাপুর উপজেলায় প্রায় ৩৫০ হেক্টর জমিতে বরবটি ও শীমের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেযোগ্য শীম চাষ হয়েছে উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে।

চলতি বছরে অতিবৃষ্টি না থাকায় শীম ক্ষেতে তেমন একটা পোকামাকড়ের আক্রমন ছিল না, ফলে এবারের ফলন অন্য বছরের ন্যায় অধিক পরিমানে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু অতি উৎসাহী কৃষকরা অধিক ফলনের আশায় অপরিকল্পিত  ভাবে সার ও কীটনাশক ব্যবহারে শীমের উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার আশংকাও রয়েছে। সরেজমিন চাষীদের সাথে আলাপকালে তারা জানায়, বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে শীমের চাষ হচ্ছে, অথচ সরকারী ভাবে আমাদেরকে কোন রকম সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয় না। সার এবং কীটনাশক বাজার থেকে ক্রয় করলেও তার ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের অনেক চাষীদের  নেই কোন ধারণা।

কৃষি অফিসের প্রতিনিধিরা মাঝে মধ্যে এসে ছবি তুলে চলে যান। অথচ একজন ক্লক সুপারভাইজার নিয়মিত শীমের বাগান পরিদর্শণ, পর্যবেক্ষণ এবং পরামর্শ দেওয়ার কথা। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার হুমায়ুন দিলদার’র সাথে আলাপকালে তিনি বলেন আমি জৈন্তাপুর উপজেলায় মাত্র কয়েক দিন হলো পদায়ন করেছি। এই উপজেলা সম্পর্কে আমার এখনো কোন ধারনা নেই। তবে শুনেছি এই উপজেলায় যতেষ্ট পরিমানে শীমের চাষ হয়। এখন পর্যন্ত শীম চাষ বা চাষীদের সাথে আমার  কোন যোগাযোগ হয়নি।

জৈন্তাপুর উপজেলার ১নং নিজপাট ইউনিয়নের কামরাঙ্গীখেল, পাখিবিল, আড়ছাউলী, হর্ণি, বাইরাখেল, নয়াগ্রাম, রূপচেং, লালাখাল,  গৌরী, দিগারাইল লক্ষী প্রসাদসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রতি বছর শীম চাষ হয়। উৎপাদিত শীম স্থানীয় চাহিদা পূরনের পাশাপাশি সিলেট শহর সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী হয়ে থাকে। বাণিজ্যিক ভাবে শীম চাষ করে এই অঞ্চলের বহু মানুষের ভাগ্য বদল হয়েছে। স্বল্প পুজি বিনিয়োগ হলেও অধিক পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল হতে হয় চাষীদেরকে। শীম চাষী মাহমুদ আলী বলেছেন, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শীম বাগানই আমাদের সবচেয়ে আপন। পোকামাকর দূর করতে ব্যবহৃত কীটনাশক আমাদের শারীরিক অনেক ক্ষতির কারনও হয়ে দাঁড়ায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কোন দিন সরকারীভাবে  ১ কেজি সারও পাই নি। আমার আসপাশে সরকারী কোন প্রতিনিধি শীম বাগান দেখতেও আসেনি।

দেশের কৃষি এবং কৃষকের জীবন-মান উন্নয়নের মাধ্যমেই কৃষি শিল্পকে উন্নত করা সম্ভব। তাই জৈন্তাপুর উপজেলার শীম চাষীদের সুবিধা-অসুবিধা দেখার দায়িত্ব কৃষি বিভাগের। তাদের সমস্যাগুলোর সমাধানে দৃষ্টি দেবে উপজেলা প্রশাসন, তবেই সম্ভাবনাময় হয়ে উঠবে জৈন্তাপুরের কৃষি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com