আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭ দেশের রাষ্ট্রদূত। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল
ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার সব ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে শেখ হাসিনা আগে যত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন তা সব
নিউ এজ পত্রিকার সাংবাদিক ফয়েজ আহাম্মদকে প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধান
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় ঐক্য পুনর্নিশ্চিত করার পর আজ বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে নয় বরং ভারতেই শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানো উচিত। ভারতের মিডিয়াগুলোই শুধু বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিশ্বের অন্য কোনো দেশের মিডিয়ায়
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাদ দিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা প্রশ্নে চূড়ান্ত রায়ের জন্য আগামী ১৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত যে উত্তেজনা ও শক্তি নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা শত্রুর মোকাবিলা করেছি। আমাদের ছাত্র-জনতা বুক পেতে দিয়েছে, জীবন দিয়েছে। সেই ঐক্যে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। বিষয়টি ডিএমপির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আমাদের সবচেয়ে বড় ডেফিসিয়েন্ট হচ্ছে, নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থার ঘাটতি, সেটা ফিরিয়ে আনতে হবে। আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারে
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকের আলোচনায় মূল কথাই ছিলো, আমাদের মধ্যে মত-পথ-আদর্শ ভিন্ন থাকবে, রাজনীতিতে ভিন্ন থাকবে। দেশ, সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্বের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। সবার