
সিরাজুল কবির বুলবুল, উখিয়া (কক্সবাজার):
ঘুম থেকে ওঠে ফেসবুকে চোখ রাখতে শিল্পী আসিফ আকবরের ওয়ালে ভেসে উঠলো একটি অমর কিংবদন্তির ছবি,স্বাধীন বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্র নায়ক,বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনকর্তা, বাংলার রাখাল রাজা,শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাসি মাখা মুখ।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় মেজর জিয়া সর্ব প্রথমে ১ নং সেক্টর ও পরে ১১ নং সেক্টরে জেড-ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে মাতৃভূমি বাংলাদেশ রক্ষায় প্রাণপণযুদ্ধ করে দেশকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন মেজর জিয়া মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য রাস্ট্রীয় স্বীকৃতি “বীর উত্তম “খেতাব অর্জন করেছিলেন তিনি ছিলেনএক অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা যিনি সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে পরবর্তীতে রাস্ট্র ক্ষমতায় আসেন। ক্ষমতার মসনদে বসে তিনি একটি মুহুর্তের জন্য বিশ্রাম নেননি, ছুটে চলেছিলেন গ্রাম বাংলার পথপ্রান্তরে রাখাল রাজার বেশে। যে কাজে তিনি হাত দিয়েছেন সেই কাজে তিনি সফল হয়েছেন। তিনি একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক ও সম্মুখসারীর সমর মুক্তিযোদ্ধা! যিনি বাংলাদেশের কঠিন সময়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সাত কোটি মানুষকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতির বার্তা পৌঁছিয়েছিলেন এবং জনতার পাশে থেকে সাহসী ভুমিকা পালন করেছিলেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়।যার কথা বাংলার আটারো কোটি মানুষ জন্মজন্মান্তর মনে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
অত্যান্ত দু:খ ও পরিতাপের বিষয় কিছু বেঈমান দেশদ্রোহী কুচক্রী মহল ও দেশী-বিদেশী দালালদের চক্রান্তে তাদেরই লেলিয়ে দেওয়া গুটিকয়েক উশৃংখল সেনার হাতে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অকাল মৃত্যুবরণ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। বাংলার পাদপ্রদীপ সে রাতে অসময়ে নিভে যায়!
সেই ক্ষত বাঙ্গালী জাতি আজও বুকে মাঝে বয়ে বেড়ায়!মরেও অমর জিয়া তাই এখনো জিয়া প্রেমিকের কন্ঠে শুনা যায়— “সারা বাংলার ধানের শীষে জিয়া তুমি আছো মিশে”
সত্যি স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও এই বাংলা ১৮ কোটি মানুষ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ভুলতে পারেনি এটা বার বার প্রামাণিত হয়েছে।
১৯৭৮ সালে কথা তখন ছিলো ফেব্রুয়ারী মাস শীতের সকাল আমি ছোট্ট শিশু বুলবুল,প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আসবে উখিয়া হাইস্কুল মাঠে এই টুকু শুনেছি বাবার মুখে, দেরিনা করে বাবার হাত ধরে উখিয়া হাইস্কুল খেলার মাঠে ছুটে গেলাম, দেখি ওখানে বিশাল জনসমুদ্র! তিলপরিমাণ ঠাঁই নেই।কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দ করে জলপাই রঙের একটি হেলিকপ্টার উখিয়া হাইস্কুলের মাঠে অবতরণ করলো বাবা দেরিনা করে আমাকে কাঁধে তুলে নিলেন হাত উঁচিয়ে দেখালেন ঐ দেখ রাষ্ট্রপ্রতি মেজর জিয়া!
সে স্মৃতি এখনো অমলিন! জীবনে প্রথম দেখেছিলাম জিয়াকে প্রথম দেখেছিলাম হেলিকপ্টার, প্রথম দেখেছিলাম হাইস্কুলের মাঠ,প্রথম চড়েঁছিলাম বাবার কাঁধে।
সে থেকে জিয়াকে ভালবাসি জিয়ার চোখে দেখেছিলাম গ্রাম বাংলার রাখাল রাজার হাসি।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply