1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
Title :
হরিপুরে সার সংকট আর কতদিন লাইনে দাঁড়িয়ে কৃষকে সার কিনতে হবে ? কালিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন দেশীয় গ্রাহকদের জন্য বৈশ্বিক উদ্ভাবন: সিঙ্গার বাংলাদেশ নিয়ে এলো বেকো প্রাইম্যাক্স সিরিজ টেলিভিশন স্মার্টফোন ডিসপ্লেতে নতুন যুগ: ০ মিমি বর্ডারলেস কনসেপ্ট আনল টেকনো মাধবপুরে সিএনজি ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত দুই জন ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বর্ষায় মানুষের পাশে বাংলালিংক; ১০ সিটি করপোরেশনে ১২ হাজারের বেশি রেইনকোট বিতরণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে বিএসএফের ৩ জনকে পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি সিলেট জুড়ে বিষধর সাপ গুলো জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে আশ্রয় খুঁজছে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর টাউন হল মিটিং-২০২৬ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ বা ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যতার ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১০.৫৬ পিএম
  • ১৭৬ Time View

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ বা ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা যেকোনো অপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের মুখে পড়ে আবারও দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন-২০২৫’ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাসে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ সময়ে ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে এবং ৯০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও পয়োনিষ্কাশনসহ জরুরি সেবায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ২০১৬ সাল থেকে দারিদ্র্য কমার গতি শ্লথ হয়েছে এবং প্রবৃদ্ধি হয়েছে কম অন্তর্ভুক্তিমূলক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০২২ সালে চরম দারিদ্র্য ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৬ শতাংশে এবং মাঝারি দারিদ্র্য ৩৭.১ শতাংশ থেকে কমে ১৮.৭ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু ২০১৬ সালের পর ধনী জনগোষ্ঠীর আয় বাড়লেও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির হার কমে যায়, ফলে আয় বৈষম্য বেড়ে যায়। কৃষিনির্ভর গ্রামীণাঞ্চলে দারিদ্র্য দ্রুত কমলেও শহরে দারিদ্র্য হ্রাসের হার কমেছে। ২০২২ সাল নাগাদ প্রতি চারজনের একজন শহরে বসবাস শুরু করেন।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট, জলবায়ু ঝুঁকি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি কমে যাওয়ায় শ্রম আয়ও কমছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি—বিশেষ করে নারী, যুবক ও ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য—দারিদ্র্য হ্রাসের জন্য জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রতিবেদন বলছে, উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি স্থবির হয়ে পড়েছে, বিপরীতে কম উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বাড়ছে। এতে নারী ও তরুণেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। প্রতি পাঁচজন নারীর একজন বেকার এবং প্রতি চারজন শিক্ষিত নারীর একজনের কর্মসংস্থান নেই। ঢাকার বাইরে শহরাঞ্চলে কর্মসংস্থান প্রায় স্থবির। ফলে নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

১৫–২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের প্রায় অর্ধেক কম মজুরিতে কাজ করছেন—যা দক্ষতা ও শ্রমবাজারের চাহিদার অসঙ্গতি নির্দেশ করে। অভিবাসন দারিদ্র্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও দেশের ভেতরে অভিবাসীরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করেন এবং বিদেশে যেতে উচ্চ ব্যয়ের কারণে দরিদ্র মানুষের সুযোগ সীমিত।

প্রতিবেদনে সামাজিক সুরক্ষায় অদক্ষতা ও লক্ষ্যভিত্তিক ব্যয়ের অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০২২ সালে সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগীদের ৩৫ শতাংশ ছিল ধনী পরিবার, যেখানে অতি দরিদ্রদের অর্ধেকও সুবিধা পাননি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সারের ভর্তুকির বড় অংশটিও ধনীদের কাছে পৌঁছেছে।

বিশ্বব্যাংক দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে চারটি কৌশলগত করণীয় চিহ্নিত করেছে— উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থানের ভিত্তি শক্তিশালী করা, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য শোভন কাজের সুযোগ বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বিনিয়োগ ও দরিদ্র-বান্ধব বাজারব্যবস্থা তৈরি, লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ও কার্যকর রাজস্ব নীতির মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা।

প্রতিবেদনের সহলেখক ও বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ সার্জিও অলিভিয়েরি বলেন, বাংলাদেশ পূর্ব–পশ্চিম বৈষম্য কিছুটা কমালেও জলবায়ু ঝুঁকি শহর–গ্রামের বৈষম্য বাড়াচ্ছে। উদ্ভাবনী নীতি, যোগাযোগ উন্নয়ন, শহরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষিতে দরিদ্র-বান্ধব মূল্যচেইন এবং কার্যকর সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ আবারও দারিদ্র্য হ্রাসের গতি ফিরিয়ে আনতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com