শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হবিগঞ্জের কারাগারে ১৮৮ বন্দি ভোট দেবেন পোস্টাল ব্যালটে মিনিস্টারের ‘নির্বাচনী উৎসব’: টিভি ও ফ্রিজে ৫৩ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় ঢাকার রামপুরা ও ময়মনসিংহ শহরে মি: ডি আই ওয়াই এর স্টোর উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গায় ফল বাগান স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা কলাকৌশল বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশে শীতার্ত, ভাসমান ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুশরাত জাহান লিফট সেক্টরের শীর্ষ উদ্যোক্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনা -১ আসনের ইসলামীফ্রন্টের প্রার্থীর সাংবাদিকদের সাথেমতবিনিময় নরসিংদীর শিবপুর দুলালপুরে ভালোবাসার স্বপ্ন চিনাদীর উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও গণশুনানি অনুষ্ঠিত ভুরুঙ্গামারীতে বিসিডিএস’র সচেতনতামূলক সভা সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী কে প্রাণনাশের হুককি

মতিউরের ৮৬৬ শতক জমি ও ফ্ল্যাটগুলো জব্দের আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪
  • ১০৩ Time View

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ৮৬৬ শতক জমি ও ৪টি ফ্ল্যাট জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেলে দুদক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন থেকে সংস্থাটির সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন জানান, মতিউর রহমান ও তার দুই স্ত্রী এবং সন্তানদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের হিসাব বিবরণীর জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে। ২১ কর্মদিবসের মধ্যে এ হিসাব দিতে বলা হয়েছে।

মতিউর ছাড়া বাকিরা হলেন- মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ, ছেলে আহমেদ তৌফিকুর রহমান অর্নব, মেয়ে ফারজানা রহমান ইস্পিতা ও দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আক্তার শিবলী।  

৩০ জুন মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ক্রয়কৃত কোনো জমি আছে কিনা, সেটি জানতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে চিঠি দেয় দুদক।

জানা যায়, মতিউরের বিরুদ্ধে এর আগে চারবার দুর্নীতির অভিযোগ পায় দুদক। কিন্তু প্রতিবারই নানা কৌশলে নানা প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে ক্লিন চিট পেয়েছিলেন তিনি।

মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম দুদকে অভিযোগ আসে ২০০৪ সালে। সে সময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের। অভিযোগ আছে, হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করা টাকা প্রবাসী কোনো এক আত্মীয়র মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে তা রেমিট্যান্স বাবদ দেখিয়ে দিয়েছিলেন ট্যাক্স ফাইলে।

২০০৮ সালে আবারও দুদকে অভিযোগ জমা পড়ে তার বিরুদ্ধে। এবার অভিযোগ বিলাসবহুল পণ্যের শুল্ক মাফ করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন। কিন্তু তদন্ত শুরু হতে না হতেই প্রভাবশালীদের চাপে তা চাপা পড়ে যায়, ক্লিন চিট পান মতিউর। এরপর ২০১৩ ও ২০২১ সালে আরও দুবার দুদকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ ছিল অবৈধ সম্পদ ও সম্পত্তির। কিন্তু কৌশলী মতিউর অবৈধ সম্পদকে পারিবারিক ব্যবসা ও ঋণ দেখিয়ে প্রস্তুত করেন ট্যাক্স ফাইল। ফলে আবারও ক্লিন চিট।

তবে পঞ্চমবারের মতো তদন্তে নেমে দুদক আগের চারবারের প্রতিটি বিষয়ে পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছে। একইসঙ্গে যে বা যাদের মাধ্যমে বারবার দায়মুক্তি পেয়েছে মতিউর, তা-ও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানায় দুদক।

প্রসঙ্গত: ঈদুল আজহার আগে মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাতের ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতেই এনবিআরের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS