ইরানের প্রসঙ্গ এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে বিদেশে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় রোববার (২২ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে একটি
বিস্তারিত
ইরানের কিছু তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে যে বিরূপ প্রভাব তৈরি হয়েছে তা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রফতানির
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে সংঘাত। এরই মধ্যে অবকাঠামোতে আবার হামলা হলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই সতর্কবার্তা
ইরানে ২১ দিন ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার জেরে প্রাণহানির সংখ্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার সংবাদ সংস্থা ‘হরানা’র সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার
এবার মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক বা রাসায়নিক হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ইরানে-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জেরে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডব্লিউএইচও। দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদন