রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আয়োজিত হলো নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে সংলাপ আমদানী পর্যায়ে সংগৃহিত আয়কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে করদাতার ই-রিটার্ন ক্রেডিট দেয়ার ব্যবস্থা চালু হলো কিশোরগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক স্কুল, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান পুঁজিবাজার সংস্কারের তিন ভিত্তি ২০২৫ সালের মধ্যেই সম্পন্ন: বিএসইসি চেয়ারম্যান বিভাগীয় পর্যায়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কমিউনিটি ব্যাংকের টিডিএফ উদ্যোক্তাদের রিফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর বীরগঞ্জের চাঞ্চল্যকর দানিউল হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকারী স্ত্রী সহ ৩ জন ইউনিমাস হোল্ডিংসের প্রপার্টি ফেয়ার শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাবজি মোবাইল রাইজিং স্টার টুর্নামেন্টের মাধ্যমে গেমিং জগতে যুক্ত হলো রবি ইসলামী ব্যাংকের উপশাখা ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মনে রাখার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪
  • ১১৮ Time View

মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাসে আমাদের স্মৃতি জমা হয়। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে স্মৃতি ভালো থাকে, এর ব্যতিক্রম হলে স্মৃতি লোপ পায়। আপনাকে যদি বলা হয়, এসএসসিতে আপনার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর কত ছিল? উত্তর দিতে পারবেন? হয়তো পারবেন অথবা পারবেন না। আসলে আমরা অনেক কিছু মনে রাখার প্রয়োজনীয়তা হারিয়ে ফেলেছি। প্রযুক্তি নির্ভরতার কারণে মস্তিষ্কের ব্যবহার কমে হয়। এতে দিন দিন আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ আছে, চলুন জানা যাক।

গুগল সার্চ: একটি বানানের শুদ্ধতা যাচাইয়ের জন্যও আমরা গুগলের দারস্থ হই। এতে মনে রাখার খুব একটা প্রয়োজনীয়তা বোধ করি না। অথচ আমাদের আগের প্রজন্মের অনেকেই ক্যালকুলেটর ছাড়াই ছোটখাটো হিসাব কষে ফেলেন। তাদের ফোন নম্বর মুখস্থ থাকে। তারা প্রচুর বই পড়ার কারণে তাদের সাধারণ জ্ঞানও বেশ সমৃদ্ধ। আর এই অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের ব্যায়ামের মতো। যা তাদের চিন্তাশক্তি ও স্মরণশক্তিকে দীর্ঘসময় শানিত রেখেছে।প্রযুক্তির উপর এই অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে আমাদের ব্রেইনের নিজস্ব ক্ষমতা কমে গিয়েছে। স্মৃতি ও চিন্তাশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। মস্তিষ্ক শাণিত করতে সবকিছু গুগল সার্চ না করে মনে রাখতে চেষ্টা করার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। সেই সঙ্গে শব্দ-জট খেলা বিভিন্ন ধরনের পাজল মেলানো, সুডোকু ইত্যাদি ব্রেইন অ্যাকটিভিটির খেলা খেলতে পারেন।

হেডফোন ব্যবহার করা বা উচ্চ শব্দে গান শোনা: শ্রবণশক্তি একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা আর ঠিক করা যায় না। আবার শ্রবণশক্তি কমে গেলেও এর সরাসরি প্রভাব পরে মস্তিষ্কে। হেডফোন বা এয়ারপড ব্যবহার করে গান শোনা শ্রবণশক্তির ক্ষতির কারণ হতে পারে। হেডফোনে গান যদি শুনতেই হয় তাহলে ভলিউম ৬০ শতাংশের চেয়ে বাড়াবেন না। হেডফোন টানা ব্যবহার না করে, এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে করুন। গান শোনার সময় জোরে জোরে মাথা ঝাঁকালে মস্তিষ্কের কোষ মারা যেতে পারে।

সামাজিক না হওয়া: মানুষের সঙ্গে কথা বলা, আড্ডা দেওয়া, গল্প করা এগুলো মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জরুরি। এতে আমাদের মস্তিষ্ক উদ্দীপ্ত থাকে। কিন্তু একা থাকলে, কথা না বললে বিষণ্নতা ভর করে ডিমেনশিয়া রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তবে হ্যাঁ, ইতিবাচক মানুষের সঙ্গে মিশুন।

নেতিবাচক চিন্তা ও মানুষ: মস্তিষ্কের জন্য সূর্যের আলোর সংস্পর্শ পাওয়া বেশ জরুরি। সুতরাং রোদে বের হোন। গবেষকেরা বলছেন, সূর্যের আলোর সংস্পর্শ না পেলে ডিপ্রেশনের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস: অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করলে সেটা স্বাস্থ্যকর খাবার হলেও মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে মস্তিষ্কের ধমনীগুলোয় কোলেস্টেরল জমে  এবং রক্তপ্রবাহ কমে যায়।  চিন্তাশক্তি লোপ পায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS