1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
Title :
নবীনগরের শ্রীরামপুরে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু উবারের নতুন সেবায় যুক্ত হলো ‘উবার পার্সেল’ প্রখ্যাত গীতিকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং পরিচালক গাজী মাজহারুল আনোয়ার স্মরণে ‘দি আর্টিস্ট ক্লাব’-এর বিশেষ আয়োজন ‘আইকনিক টিউজডে হরিপুরে পুলিশ বিজিবির অভিযানে মাদকসহ আটক – ৪ জন গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নে কমিউনিটি ব্যাংকের প্রশিক্ষণ ২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ ২০২৬ স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়ে ডাব্লিউএসইউপি’র নারী উদ্যোক্তা তৈরির প্রশিক্ষণ বৈষম্যহীন সমাজ, মর্যাদাবান রাষ্ট্র এবং শ্রেষ্ঠ জাতি গঠনে ‘বৈষম্যহীন মর্যাদা সংলাপ’ অনুষ্ঠিত রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ট্রাস্ট ব্যাংকের অংশগ্রহণ রেলওয়ের প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংস নয়, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি চাই রেলওয়ে মহাপরিচালককে ঘিরে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের প্রতিবাদে, সংবাদ সম্মেলন

স্তন্যদানকারী মায়েরা সুস্থতার জন্য কী করবেন

  • আপডেট : রবিবার, ১১ মে, ২০২৫, ১০.৩৩ এএম
  • ২০৪ Time View

সন্তান জন্মদানের পর থেকে একজন মা রাতের পর রাত জাগতে থাকেন, শিশুকে বুকের দুধ পান করান। এই সময় মায়ের শরীরের জন্য প্রচুর এনার্জি এবং পর্যাপ্ত ক্যালোরি প্রয়োজন। সুস্থতার জন্য বালেন্স ডায়েট চার্ট ফলো করার জরুরি। অনেক পরিবার শিশুর প্রতি অধিক মনোযোগ দিলে মায়ের প্রতি তেমন যত্ন নেন না। এতে মায়ের শরীরে নানা রকম অসংগতি দেখা দিতে থাকে। মায়ের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকলে পর্যাপ্ত দুধ উৎপাদন হয় না।

ডা. আহমেদ নাজমুল আনাম, এফসিপিএস, এডি, অ্যাসিসট্যান্ট প্রোফেসর, আইসিএমএইচ একটি পডকাস্টে বলেন, ‘‘বুকের দুধ উৎপাদনের মূল উপাদান হলো পানি। এজন্য একজন মাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ লিকুইড খাবার খেতে হবে। শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর আগে মা যদি এক গ্লাস পানি পান করে নেন, তাহলে দুধের প্রবাহ বাড়বে। মায়ের শরীরে যদি আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের কোনো ঘাটতি থাকে তাহলে সেগুলো পূরণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ এবং খাবার গ্রহণ করতে হবে।’’

‘‘দুধ, ডিম, বেদেনা, কলা, আপেল, খেজুর, কিসমিসসহ যেসব খাবাবে পর্যাপ্ত আয়রন থাকে সেগুলো মায়ের ডায়েটে রাখুন। দই, পনিরে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে এগুলোও খেতে পারেন। ’’— যোগ করেন ডা. আহমেদ নাজমুল আনাম 

যা করা যাবে না

এই সময়  অতিরিক্ত তেলে ভাজা ও মসলাযুক্ত খাবার  এড়িয়ে যাওয়া ভালো।  নতুন মায়েরা  চা-কফি পান থেকে বিরত থাকতে পারেন অথবা সীমিত পরিমাণে পান করতে পারেন। তামাক পরিহার করতে হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধ সেবন করা যাবে না। খাদ্যবাহিত রোগের সংক্রমণ এড়াতে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। সুস্থতার জন্যস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। 

উল্লেখ্য, মা এবং শিশু উভয়ের জন্য ভিটামিন ডি’র পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রয়োজন। দুজনই প্রতিদিন কিছুক্ষণ সূর্যের আলোয় (২০ মিনিট) থাকতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com