1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
Title :
চাঁদাবাজির অভিযোগে কুমিল্লার ‘কানা মমিন’ গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্টের কর্মপরিষদের সভা: সংবিধান পরিবর্তন ও গণভোটের দাবি মানবাধিকারে বিশেষ অবদানের জন্য শান্তি পদক পেলেন মঞ্জুর হোসেন ঈসা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে তৃণমূলের উপস্থিতি, টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাথাচাড়া তিন মাসে রপ্তানি আয় ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬.৩৪% রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রি-শিপমেন্ট ঋণের তহবিল বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে সাড়ে ৮%, রেমিট্যান্স ৩% ধানমন্ডিতে ২৪ হাজার ৩২১ বর্গফুটের বাণিজ্যিক স্পেস কিনবে ইবনে সিনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ রূপগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, রক্তাক্ত জখম ও টাকা ছিনতাই

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট : শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩, ১২.৪৭ পিএম
  • ৩০২ Time View

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে থার্ড টার্মিনালের উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

এর আগে সকাল ১০টার একটু পর প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনালে পৌঁছান। টার্মিনালে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় একদল শিশু শিল্পী। সেখান থেকে তাকে একটি চেক ইন কাউন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। চেক ইন কাউন্টার থেকে তাকে একটি নমুনা বোর্ডিং পাস দেওয়া হয়। এরপর বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কাউন্টার, সিকিউরিটি গেট, মুভিং ওয়াকওয়ে (স্ট্রেট এসকেলেটর) পরিদর্শন করেন।

আজকের এ উদ্বোধনীকে বলা হচ্ছে সফট ওপেনিং। সফট ওপেনিং এর পর বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট তৃতীয় টার্মিনাল ব্যবহার করে ঢাকা ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে। সেই ফ্লাইটের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংও করবে রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইন্স।

২০১৭ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। তবে নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে ১৬ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। বাকি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। টার্মিনালটির নির্মাণকাজ করছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।

জানা গেছে, এখন শাহজালাল বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ এর অ্যাপ্রোনে ২৯টি বিমান রাখা যায়। ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার আয়তনের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে অ্যাপ্রোনে আরও ৮ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ রাখা যাবে। ফলে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে। নতুন টার্মিনালে ২৬টি বোর্ডিং ব্রিজের ব্যবস্থা থাকবে। এর মধ্যে আগামী অক্টোবরে ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ চালু হবে। বহির্গমনের জন্য মোট চেক-ইন কাউন্টার থাকবে (১৫টি সেলফ সার্ভিস চেক-ইন কাউন্টারসহ) ১১৫টি।

এছাড়া ১০টি স্বয়ংক্রিয় পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণ কাউন্টারসহ বহির্গমন ইমিগ্রেশন কাউন্টার থাকবে ৬৬টি। আগমনীর ক্ষেত্রে পাঁচটি স্বয়ংক্রিয় চেক-ইন কাউন্টারসহ মোট ৫৯টি কাউন্টার থাকবে। তৃতীয় টার্মিনালে আগমনী যাত্রীদের জন্য ১৬টি লাগেজ বেল্ট থাকবে। অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগেজের জন্য থাকবে চারটি আলাদা বেল্ট।

বেবিচক জানায়, থার্ড টার্মিনালের নিচতলায় থাকবে ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং সিস্টেম। দ্বিতীয় তলায় থাকবে বহির্গমন লাউঞ্জ, ক্যানটিন ও বোর্ডিং ব্রিজ। থাকবে সুপরিসর ডিউটিফ্রি শপ এবং বহির্গমন লাউঞ্জ। দুই লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের তৃতীয় টার্মিনাল ভবনে বছরে যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় এক কোটি ২০ লাখ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com