বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
Price Sensitive Information of The IBN SINA Phamaceutical Industry PLC রবির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে সাবেক ইউএনও রুমানা আফরোজকে ঘিরে অপপ্রচার: নিন্দা ও দোষীদের শাস্তির দাবি “দরিদ্রের ভূমি ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে সামাজিক ন্যায়বিচার অসম্ভব” সিলেটে বিএনপির নেত্রী ও সাংবাদিক সেজে স্বপ্না ফিজিওথেরাপি ও হিজামা সেন্টারে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী বিএনপির নাম ভাংগিয়ে লিজের পুকুরের মাছ ধরতে বাধা, চাষিদের উপর হামলা  বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধি হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী যাত্রী কল্যাণ সমিতির বীরগঞ্জে সাওতাল আদিবাসীদের মন্দির ও কালী প্রতিমা ভাংচুর এবং তির বৃদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার- ২ রাঙ্গামাটিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার ‎সুন্দরবনের বনদস্যু সামাদ মোল্লা আটক, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার ‎

শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যায় ৪ যুবকের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৭৮ Time View

বগুড়ায় ধর্ষণের পর দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী মাহি উম্মে তাবাসসুমকে (৮) হত্যার দায়ে চার যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত সবাইকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরের দিকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ২ এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর এ রায় দেন। ফাঁসির দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- বগুড়ার ধুনট উপজেলার নশরতপুর গ্রামের মোজাম্মেলের ছেলে বাপ্পি আহম্মেদ (২৪), একই এলাকার দলিল উদ্দিন তালুকদারের ছেলে কামাল পাশা (৩৭), ছানোয়ার হোসেনের ছেলে শামিম রেজা (২৪) ও মৃত সাহেব আলীর ছেলে লাভলু শেখ (২৩)। তারা একে অপরের বন্ধু। বাপ্পি স্থানীয় জিএমসি ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল। কামাল পাশা মুদি দোকানদার, শামীম রেজা রাজমিস্ত্রি ও লাবলু রংমিস্ত্রি।

রায় ঘোষনার সময় তারা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আশিকুর রহমান সুজন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ধুনটের নশরতপুর গ্রামে সন্ধ্যার দিকে তাবাসসুমকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাঁশঝাড়ে ফেলে রাখা হয়। পরে খোঁজাখুজিঁর পর ওই রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনরা। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৫ ডিসেম্বর পুলিশ দণ্ডপ্রাপ্ত চার যুবককে গ্রেপ্তার করে। তাবাসসুমের বাবা-মা ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সে তার বোন ও দাদির সঙ্গে গ্রামে বসবাস করত। ঘটনার দিনে গ্রামের ওয়াজ মাহফিল চলছিল। সন্ধ্যার দিকে সেখানে মিষ্টি কিনতে যায় তাবাসসুম। দণ্ডপ্রাপ্ত বাপ্পীদের সাথে শিশুটির পরিবারে আগে থেকেই পারিবারিক বিরোধ ছিল। এ সুযোগে বাপ্পী প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তিনি তাবাসুমকে বাদাম কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মাহফিলের পাশের একটি কলেজের কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তার তিন বন্ধুকে নিয়ে শিশুটিকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ সময় তাবাসুমের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তার মৃত্যু নিশ্চিতের জন্য গলাটিপে হত্যা করে বাপ্পী।

এ ঘটনায় পরের দিন তাবাসসুমের বাবা বেলাল হোসেন খোকন অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্তে ২০২০ সালের ২৫ ডিসেম্বর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ২৬ ডিসেম্বর বাপ্পী, শামিম ও লাভলু আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আর কামাল পাশা জবানবন্দি দেন ২৯ তারিখে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পিপি আশেকুর রহমান সুজন জানান, এ মামলায় ডিএনএ টেস্ট করা হয়। এতে তাবাসসুমের মরদেহে আসামিদের বীর্যের উপিস্থিতিও পাওয়া যায়। ধর্ষণ ছাড়াও ময়নাতদন্তে ওই শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যারও প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে পুলিশ ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বরে আদালতে মামলার পূর্নাঙ্গ চার্জশিট জমা দেয়। মামলায় সব সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে রোববার রায় ঘোষণা করেন বিচারক। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS