1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
Title :
দুই সপ্তাহের মধ্যে বিএসইসিতে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার গ্রাহক আস্থায় মাত্র ৩৮ কর্মদিবসে প্রিমিয়ার ব্যাংকের অসাধারণ সাফল্য: ১,৬৭৮ কোটি টাকার নতুন আমানত ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত নিউইয়‌র্কের লং আইল্যান্ডের বেল‌মো‌রে তিরা‌শিয়ানদের এক মিলন‌মেলা অনু‌ষ্ঠিত দিনাজপুরের বীরগঞ্জে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সিলেটে পুলিশের অভিযানে এক মাসে ১৬৬৫ জন গ্রেফতার খুলনা জেলা দাকোপে জমি দখলের অভিযোগ: বৈধ মালিককে অস্ত্রের মুখে উচ্ছেদ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি বাড়তি ভাড়া ঠেকাতে হোসেনপুরে প্রশাসনের অভিযান, সিএনজি জব্দ ৪৬.৭০ কোটি টাকার ঋণ শেয়ারে রূপান্তরে ‘না’ বলল বিএসইসি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকছেন খুরশীদ আলম: বাংলাদেশ ব্যাংক

২০২৫ সালে মুনাফায় দৃঢ় অবস্থানে রবি

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৫.২০ পিএম
  • ১৫৪ Time View

ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – রবি আজিয়াটা পিএলসি ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করে দৃঢ় অবস্থান ধরে রেখেছে। গত বছর চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রবির কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) দাঁড়িয়েছে ৩১১.৯ কোটি টাকা। পুরো বছরের মোট কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) হয়েছে ৯৩৭.১ কোটি টাকা।

২০২৫ সালে রবির মোট রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ৯,৯৯২.২ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ০.৪% বেশি। ভয়েস কল থেকে আয় ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ২.৯% কমেছে। তবে ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডাটা থেকে আয় বেড়েছে ৫.১%।

রবির পরিচালনা পর্ষদ ২০২৫ সালের জন্য ১৭.৫% নগদ লভ্যাংশ (প্রতি শেয়ার ১.৭৫ টাকা) সুপারিশ করেছে, যা মোট পিএটির ৯৭.৮%। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সুপারিশ অনুমোদন হয়েছে। আগামী ২২ এপ্রিল রবির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২৫ সালে রবির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৭৯ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৩.৩% বেশি। ২০২৫ সালে রবির মোট মূলধনী বিনিয়োগ ১,৩০৪.১ কোটি টাকা। ২০২৫ সাল শেষে সরকারি কোষাগারে রবি কর বাবদ মোট ৬,২০১.১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে, যা কোম্পানির ওই বছরের মোট আয়ের ৬২%।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস শেষে রবির সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৭৪ লাখে। ডাটা গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৪৫ লাখ এবং ফোর-জি গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটি ৯৯ লাখ। মোট সক্রিয় গ্রাহকের মধ্যে ৭৭.৫% ছিলেন ডাটা ব্যবহারকারী এবং ৬৯.৫% ছিলেন ফোর-জি ব্যবহারকারী। রবির ডাটা ও ফোর-জি ব্যবহারকারীর অনুপাত দেশের যে কোনো মোবাইল অপারেটরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ত্রৈমাসিক হিসাবে, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে রবির মোট রাজস্ব বা আয় ছিল ২,৫৮৪.৯ কোটি টাকা, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২.৯% বেশি। তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় চতুর্থ প্রান্তিকে ভয়েস রাজস্ব ০.৫% এবং ডাটা রাজস্ব ৪.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। চতুর্থ প্রান্তিকে রবির সুদ, কর, অবচয় ও অ্যামর্টাইজেশন পূর্ববর্তী আয় (ইবিআইটিডিএ) দাঁড়িয়েছে ১,২৯৪.৮ কোটি টাকা, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.১% বেশি।

চতুর্থ প্রান্তিকে ইবিআইটিডিএ মার্জিন ছিল ৫০.১%; আগের প্রান্তিকের তুলনায় এটি ১.৪ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। চতুর্থ প্রান্তিকে ইপিএস ০.৬ টাকা। এ প্রান্তিকে রবির মূলধনী বিনিয়োগ ৬৮৬.২ কোটি টাকা। একই সময়ে সরকারি কোষাগারে প্রদান করেছে ১,৫৯৬.৯ কোটি টাকা, যা ওই প্রান্তিকে কোম্পানির মোট আয়ের ৬২%।

রবির ফোর-জি নেটওয়ার্ক সাইটের সংখ্যা ১৯ হাজারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর মাধ্যমে মোট জনসংখ্যার ৯৮.৯৮% জন্য ফোর-জি কভারেজ নিশ্চিত হয়েছে। দেশের প্রথম ফাইভ-জি চালু করা অপারেটর হিসেবে রবি এই সেবা প্রসারের উপযোগী ইকোসিস্টেম তৈরিতে কাজ করছে।

রবি আজিয়াটা পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও জিয়াদ সাতারা বলেন,“ভয়েস রাজস্ব ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়া সত্ত্বেও ডাটা রাজস্বের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে রবি আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে। ডাটা ও ফোর-জি গ্রাহকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং গ্রাহকপ্রতি ডাটা ব্যবহারের পরিমাণ বাড়ায় এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও প্রতিকূল সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গ্রাহকদের ব্যয় ক্ষমতা সীমিত হয়েছে, যা কোম্পানির আয়ের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। এ ছাড়া আমাদের আয়ের ৬২ শতাংশই সরকারকে বিভিন্ন ধরনের কর হিসেবে দিতে হয়েছে। যে কোনো দিক থেকে বিবেচনা করলে এটি অযৌক্তিকভাবে উচ্চ কর ব্যবস্থা, যা শিল্পের প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।”

তিনি বলেন, “আমাদের প্রায় ৭০% সক্রিয় গ্রাহক ফোর-জি ব্যবহারকারী। ডিজিটালি সচেতন গ্রাহকের প্রথম পছন্দ হিসেবে রবি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গত বছর আমাদের আর্থিক স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি ছিল পরিচালন দক্ষতা, যা কঠিন বাজার পরিস্থিতিতেও মুনাফা বাড়াতে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, সেবার মান ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যদক্ষতা বাড়াতে শৃঙ্খলাবদ্ধ মূলধনী বিনিয়োগ নিশ্চিত করেছে রবি।”

জিয়াদ সাতারা বলেন, ”আমরা দেশের ৪০টি জেলায় আরও ফোর-জি সাইট স্থাপনের মাধ্যমে সেবাবঞ্চিত এলাকায় নেটওয়ার্ক কভারেজ উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করেছি।”

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com