
আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতির অবস্থা ‘অতটা খারাপ না’ উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনারা যতটা খারাপ দেখছেন, অতটা খারাপ না। আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে বলে আমি মনে করি। মাইক্রো ইকোনমি, ব্যাংক অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এগুলো তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সরকারের প্রচেষ্টায় এটাকে আমরা আরও ভালো করতে পারবো।
বুধবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় জনপ্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমরা এগুলোর নির্বাচনের ব্যবস্থা করব। এটা তো আর এক দিনে সম্ভব না, কিন্তু দ্রুত করার চেষ্টা করব।’
মব সন্ত্রাস প্রতিরোধ বিএনপি সরকারের লক্ষ্য থাকবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, এটা তো বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার চেষ্টা করতেই হবে। একটা বড় ঝড় গেছে আমাদের। একটা বিপ্লব হয়েছে, বিদ্রোহ হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে এটা মনে করার কারণ নেই। এক-দেড় বছর আমরা পার হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের। এরা একটা নির্বাচন দিয়ে গেছে। নির্বাচন করে একটা সরকার হয়েছে, নির্বাচিত সরকার হয়েছে। এটাই একটা বড় অর্জন। আমি তো মনে করি যে এটা অনেক বড় অর্জন।’ রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।
‘আওয়ামীলীগ বিহীন’ নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে কিনা, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না, এটা কিন্তু জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সবাই বলছে, এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন (অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন) হয়েছে। এবং এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন হয়েছে বলেই আজকে এটা একসেপ্টেবল টু অল (গ্রহণযোগ্য) হয়েছে, সকলের কাছে।’
আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত কী হবে, প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমরা পলিটিক্যালি পরে আপনাদের জানাব। আমাদের গভর্নমেন্টের আলোচনার পরে জানাব।’
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্ক্রম নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করবেন কিনা, জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রয়োজন নেই। কারণ তারা একটা বিশেষ মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়েছে। সেই সময়, আমি মনে করি, আমার দলও মনে করে যতটুকু প্রয়োজন ছিল, তারা সেই কাজের সিংহভাগ করতে পেরেছে। মূল সমস্যাটা কী ছিল? ট্রানজিশন টু ডেমোক্রেসি। সেটা তো তারা করে দিয়ে গেছে। সুতরাং ইউ মাস্ট গিভ ক্রেডিট টু দেম (তাদের সেই কৃতিত্ব)। দিতেই হবে। তারা অনেক ভালো কাজ করেছে।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply