1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
Title :
হবিগঞ্জের সব রুটে বিরতিহীন বাস সহ সকল লাইনের বাস বন্ধ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা চুয়াডাঙ্গায় ডিজিটাল গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ে অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত নারায়ণপুর দক্ষিণ পাড়া বিদ্যালয় সরকারি করনের লক্ষ্যে এমপি আব্দুল মান্নানের পরিদর্শন ২৬ প্রতিষ্ঠানের এলসি সংক্রান্ত অভিযোগে দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি’র অবস্থান চট্টগ্রামে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা ও নগর পরিকল্পনা নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রামে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা এসপি মোঃ মাসুদ আলমের সৌদি আরবে ২৭ মে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা উলিপুর মিনি স্টেডিয়ামে কোরবানির পশুরহাট বন্ধের দাবিতে লিখিত অভিযোগ ঈদ-উল-আযহায় মেগা গিফট বিজয়ীদের নিয়ে টেকনোর বিশেষ আয়োজন বাংলাদেশে নতুন হোমকেয়ার ব্র্যান্ড ব্লিট্‌জের যাত্রা শুরু  

ইউরোপা লিগে টটেনহ্যাম চ্যাম্পিয়ন

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫, ২.২৮ পিএম
  • ৫৮ Time View

এক যুগ পেরিয়ে আরও পাঁচ বছর। ৬ হাজার ২০০ দিনের দীর্ঘ খরা। অবশেষে টটেনহ্যাম হটস্পার পেল ট্রফি জয়ের স্বাদ। বুধবার (২১ মে) দিবাগত রাতে উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে নতুন ইতিহাস লিখলো লন্ডনের ক্লাবটি।

নিরপেক্ষ ভেন্যু স্পেনের সান মামেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ইউরোপা লিগ ২০২৪–২৫ মৌসুমের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল। যেখানে নাটকীয়তা, চাপ এবং আবেগের এক অনন্য মিশ্রণে নির্ধারিত হয় ইউরোপা সিংহাসনের নতুন উত্তরাধিকারী।

শেষবার ২০০৮ সালে লিগ কাপ জিতেছিল টটেনহ্যাম। এরপর বহুবার সম্ভাবনার আলো দেখা গেলেও শিরোপার ঘরে কিছুই যোগ হয়নি। ক্লাব বদলেছে কোচ, বদলেছে প্রজন্ম, কিন্তু ট্রফির স্বাদ অধরাই ছিল। সেই অপূর্ণতা মুছে দিলেন ওয়েলশ উইঙ্গার ব্রেনান জনসন।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই আসে ভাগ্যনির্ধারণী মুহূর্তটি। পাপে মাতার সার-এর ডানপ্রান্ত থেকে বাড়ানো নিচু ক্রসে বল লেগে যায় ইউনাইটেড ডিফেন্ডার লুক শ’য়ের পায়ে, যা ফাঁকি দেয় ওনানার প্রহরাকে। জনসনের ক্রমাগত চেষ্টার ফলই যেন টটেনহ্যামের জন্য সোনার হরিণ হয়ে ধরা দেয়। এই গোলটি ছিল ইউরোপা ফাইনালের মঞ্চে স্পারসদের ১৬ বছরের প্রথম গোল এবং সবচেয়ে দামি।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দুই দলের অবস্থান বলছে ফাইনালে তাদের জায়গা পাওয়াই অনেকের কাছে বিস্ময়কর। ইউনাইটেড রয়েছে ১৬তম স্থানে এবং টটেনহ্যাম ১৭তম। এই মৌসুমে লিগে তাদের পারফরম্যান্স হতাশাজনক হলেও ইউরোপা লিগে দুই দলই ছিল উজ্জ্বল।

তবে ফাইনাল ম্যাচে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল না কারও। ইউনাইটেড দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু সুযোগ পেলেও কাজের কাজ হয়নি। হইলুন্ড, শ ও গারনাচোর শটগুলো ব্যর্থ হয় গোলরক্ষক ভিকারিও এবং প্রতিরক্ষায় দুর্দান্ত থাকা মিকি ফন দ্য ফেনের কাছে।

ম্যাচের অন্তিম সময়ে একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। পেদ্রো পোরোর ট্যাকলে লুক শ’ পড়ে গেলে ইউনাইটেড পেনাল্টির দাবি জানায়। কিন্তু রেফারি দৃঢ়ভাবে তা নাকচ করেন। এরপর অতিরিক্ত সময়ে শ’র হেডার দুর্দান্ত রিফ্লেক্সে বাঁচান ভিকারিও। যেটি নিশ্চিত করে টটেনহ্যামের বিজয়।

এই জয়ে টটেনহ্যাম ইউরোপা লিগের ট্রফি জিতল তৃতীয়বারের মতো। এর আগে ১৯৭২ ও ১৯৮৪ সালে ইউরোপা কাপ (সাবেক নাম) জিতেছিল তারা। এই জয়ের ফলে তারা সরাসরি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার সুযোগ পেল এবং আগামী আগস্টে উয়েফা সুপার কাপ ফাইনালে পিএসজি অথবা ইন্টার মিলানের বিপক্ষে খেলবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com