যায় দিন ভালো আসে দিন খারাপ। প্রবাদটি যেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের জন্যই। অবসরের পর নিরিবিলি জীবনে হঠাৎই ঝড়। ঝড়ের সেই দমকা হাওয়ায় লন্ডভন্ড তার সাম্রাজ্য।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেনজীর আহমেদের সম্পত্তির ৮৩টি দলিল জব্দের আদেশ দেন আদালত। সঙ্গে ৩৩টি ব্যাংক হিসাব। এরমধ্যেই এসব সম্পত্তি জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুদক।
এর দুদিন না যেতেই রোববার (২৬ মে) বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের ১১৯টি স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ এলো আদালত থেকে। এছাড়া রাজধানীর গুলশানের আলিশান ৪টি ফ্ল্যাট, শতভাগ এবং আংশিক মালিকাধীন ২৩ কেম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দেয়া হয়েছে।
দুদক আইনজীবী বলছেন, আদালতের আদেশে সম্পত্তির ক্রোকের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর বেনজীরের আইনজীবী বলছেন, ক্রোক এবং ব্যাংক একাউন্ট জব্দের বিরুদ্ধে শিগগিরই আদালতের দ্বারস্থ হবেন তারা।
এ বিষয়ে বেনজীরের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহ মঞ্জুরুল হক আরও বলেন, উনি (বেনজীর) যেহেতু চাকরি করতেন, উনার লিমিটেড সোর্স (উৎস) ছিল। তার বাইরেও সম্পত্তি করার পেছনে উনার একটা সোর্স আছে। সেই সোর্সের তথ্য তিনিই জানাবেন।