1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে বেক্সিমকো ফার্মা যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ালটন পিসিবিএ রপ্তানি উদ্বোধন করলেন তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা আইএফআইসি ব্যাংক ও বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস এর মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর স্মার্টফোন বিক্রিতে দারাজ ও পিকাবুতে শীর্ষে রিয়েলমি বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ নিয়ে এলো শাওমি এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির রোডম্যাপ হিসেবে ২০২৬-২৭ বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে আইবিএফবি আইপি৬৮/আইপি৬৯ রেটিং ও সনি লাইটিয়া ক্যামেরাসহ বাংলাদেশের বাজারে এলো টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো ইসলামিক কোর ব্যাংকিং সল্যুশন বাস্তবায়নে ফ্লোরা সিস্টেমসের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি

ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ২১৬ কোটি ডলার

  • আপডেট : রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪, ৯.০৫ পিএম
  • ৩৬৪ Time View

প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারি ২১৬ কোটি ডলার রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা একক মাস হিসেবে আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৩ সালের জুনে রেমিট্যান্স এসেছিলো প্রায় ২২০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এসেছিলো ১৫৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ সেই তুলনায় রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ বেড়েছে ৬০ কোটি ডলার।

সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারিসহ সবশেষ পাঁচ মাসের ইতিবাচক ধারায় রেমিটেন্স প্রবাহের গতি একটু একটু করে বাড়ছে। তবে চলতি অর্থবছরের শুরুতে পরিস্থিতি ছিল নাজুক। ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীদের পাঠানো আয় কমে যায়। প্রথম তিন মাসে নেতিবাচক ধারা দেখা গেছে রেমিটেন্সে, যা এখন আবার প্রবৃদ্ধির ঘরে গেছে।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে রেমিটেন্স এসেছিল ২১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার, নানা চড়াই উৎড়াই শেষে প্রবৃদ্ধি হয় ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এমন অবস্থায় বৈধ উপায়ে দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে সরকার নগদ প্রণোদনার হার ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করে। পরে তফসিলি ব্যাংকও এর সঙ্গে আরও সর্বোচ্চ আড়াই শতাংশ পর্যন্ত যোগ করে প্রণোদনা দেওয়া শুরু করে। রেমিটেন্স আকর্ষণে ডলারের বিনিময়মূল্য বাজারভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পাশাপাশি রেমিটেন্স পাঠাতে অন্যান্য শর্তের কড়াকড়িও শিথিল করা হয়। চলতি অর্থবছর থেকে একদিনে যেকোনো অঙ্কের রেমিটেন্স পাঠানোর সুযোগও আসে। কাগজপত্র জমার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়নি।

এছাড়া ব্যাংকিং চ্যানেলের নিজস্ব এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠাতে চার্জ তুলে দেওয়া হয়। এত চেষ্টার পরও রেমিটেন্সে কাঙ্ক্ষিত হারে না বাড়ার জন্য ‘হুন্ডি ব্যবস্থাকে’ দায়ী করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা দায়ী করে আসছেন খোলাবাজার ও ব্যাংকের মধ্যে থাকা দরের বড় ব্যবধানকে। খোলাবাজারে ডলারের দর বেশি হওয়াকে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com