আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটা রোহিত শর্মার জন্য দারুণ এক উপলক্ষ। এদিন সেঞ্চুরি করেছেন তিনি, করেছেন চার চারটি রেকর্ড। প্রথমটা ওয়ানডে বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম এক হাজার রানের, দ্বিতীয়টা সর্বোচ্চ ছক্কার ও তৃতীয়টা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির। ৬৩ বলের এই সেঞ্চুরিতে পেছনে ফেলেছেন কপিল দেবকেও।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট করতে নামার আগে রোহিত শর্মার ওয়ানডে বিশ্বকাপে রান ছিল ৯৭৮। আফগানদের বিপক্ষে ২২ রান করেই বিশ্বকাপে ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে যৌথভাবে দ্রুততম এক হাজার রান পূর্ণ করেন তিনি। এক হাজার রান করতে রোহিতের খেলতে হয়েছে ১৯ ইনিংস, ডেভিড ওয়ার্নারেরও তা-ই। ২০ ইনিংসে এক হাজার রান করেছিলেন শচীন টেন্ডুলকার ও এবি ডি ভিলিয়ার্স।
আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে নামার আগে ৪৫২ আন্তর্জাতিক ম্যাচে রোহিতের ছক্কার সংখ্যা ছিল ৫৫১টি। ৪৮৩ ম্যাচে গেইল ৫৫৩ ছক্কা নিয়ে ছিলেন সবার উপরে। আফগানদের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ৪টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন রোহিত। ফলে গেইলকে সরিয়ে তিনি এখন সবচেয়ে বেশি ছক্কার মালিক বনে গেলেন।
তিন ফরম্যাটে রোহিতের ছক্কাসংখ্যা এখন ৫৫৫টি। ৫৫৫ ছক্কার মধ্যে রোহিত ৫২ টেস্টে ৭৭, ২৫৩ ওয়ানডেতে ২৯৬ ও ১৪৮ টি-টোয়েন্টিতে ১৮২টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। ওয়ানডেতে তিনি তৃতীয় সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে আছেন সবার শীর্ষে।
রোহিত শর্মা ২০১৯ বিশ্বকাপ শেষ করেছিলেন ৫ সেঞ্চুরি দিয়ে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে এই ওপেনার সেঞ্চুরি করেছিলেন একটি। আফগানদের বিপক্ষেও বুধবার সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ফলে বিশ্বকাপে তার সেঞ্চুরিসংখ্যা দাঁড়াল ৭টি। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬টি সেঞ্চুরি আছে শচীনের। রোহিত মাত্র ১৯ ইনিংসে ৭টি সেঞ্চুরি হাঁকালেও শচীন ছয় সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ছয় বিশ্বকাপে খেলা ৪৪ ম্যাচে।
এই সেঞ্চুরির দিনে আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন ভারতের এই অধিনায়ক। এতদিন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেবের। সে বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭২ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন কপিল। রোহিত আফগানদের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছেন মাত্রত ৬৩ বলে।