1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
Title :
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ফার কেমিক্যাল সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে মালেক স্পিনিং সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল হাসান খান এর মৃত্যুতে ইআরএফ’র শোক গাইবান্ধায় বিজের ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ ঋণ কার্যক্রমের উদ্বোধন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কিকস্টার্ট ৩.০ বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানে আইডিএলসি’র জমকালো আয়োজন নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পুরুষ্কার পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি’র স্থানান্তরিত বারিধারা শাখার উদ্বোধন বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সরকারের প্রতি অ্যামচেমের আহ্বান সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, সতর্ক থাকুন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • আপডেট : রবিবার, ৭ মে, ২০২৩, ৮.৫৭ পিএম
  • ২৯৪ Time View

বাংলাদেশে কিছুদিন ধরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বলেন, ডেঙ্গু সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে সজাগ থাকার পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

রোববার (৭ মে) দুপুর ১২টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে মশার কামড় থেকে মুক্ত থাকতে হবে। আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাসাবাড়ির ছাদ, আঙিনায় যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

টিকাদান কার্যক্রম প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিশ্বজুড়ে টিকাদান সপ্তাহ পালিত হয়েছে। আমরা প্রতিবছর আড়াই কোটি শিশুকে টিকা দিয়ে থাকি, সব মিলিয়ে প্রায় ১০টিরও বেশি অসুখের টিকা দেয়া হয়ে থাকে। এই প্রোগ্রামের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার সেন্টার করে থাকি। এ ছাড়াও আমরা ১৫ থেকে ৪৯ বছরের নারীদের টিকা দিয়ে থাকি। তাদেরও ১০ রকমের রোগের টিকা দেয়া হয়।’

টিকা নেয়ায় সফলতার তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ৯৫ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় এসেছে, যা ২০০১ সালেও ছিল ৫২ শতাংশ। আর নারীদের মধ্যে টিকার হার ৮০ শতাংশ। টিকায় আমাদের অনেক সফলতা আছে, সফলতার স্বীকৃতি পেয়েছি অনেক। বড় স্বীকৃতি হলো আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিন হিরো হয়েছেন। এই টিকার কারণেই আমরা এসডিজি অর্জন করেছি। টিকার কারণে শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার কমেছে। টিকা এখানে বড় অবদান রেখেছে। আমাদের গড় আয়ু ৭৩, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েও ৫০ ছিল।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বর্তমানে দেশে প্রায় ৭০০টি স্থায়ী ও ১ লাখ ২০ হাজার অস্থায়ী টিকাকেন্দ্রের মাধ্যমে শিশু ও নারীদের সরকারিভাবে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ১০টি মারাত্মক সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে জীবন রক্ষাকারী টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি টিকা অচিরেই নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হতে চলেছে, যার মধ্যে এইচপিডি টিকা অন্যতম। যার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের নারীদের জরায়ুমুখের ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে সুরক্ষা দিতে পারব।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মুহাম্মদ খুরশীদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. বরদান জুং রানাসহ অনেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com