শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বের প্রথম ১০,০০১ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে এলো রিয়েলমি পি৪ পাওয়ার ফাইভজি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোঃ সিদ্দিকুর রহমান দারাজ বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে “২.২ গ্র্যান্ড রমজান বাজার”: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে লো-প্রাইস, ফ্ল্যাশ সেল এবং সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড়ের সমাহার! আলমডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করলেন- চুয়াডাঙ্গার ডিসি এসপি গ্রাহক সন্তুষ্টিই ইসলামী ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য: প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য: গাইবান্ধা ও সিলেটের একাধিক বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ‘চাঁদাবাজ চক্রের’ ০১ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার নির্বাচনী হালচালঃ চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) প্রতিদ্বন্ধিতা হবে ত্রি-মুখী, কে হাসবে শেষ হাঁসি! কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে ভোলা জেলার ৫৫৫ বছরের নান্দনিক প্রাচীন স্থাপত্য ও পুরাকীর্তি, সংরক্ষণের দাবি কুমিল্লায় যাত্রীবাহি বাস চাপায় নারী ও শিশুসহ নিহত-২

তথ্যমন্ত্রী: রাজনৈতিক কারণে কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৫৫ Time View

বিএনপির সমাবেশের আগে অভিযান চালিয়ে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এমন অভিযোগে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাজনৈতিক কোনো কারণে কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে গণগ্রেফতার চলছে বলে বিএনপির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দেখুন, পহেলা ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিজয় দিবস, একই সঙ্গে সামনে নতুন বছর উদযাপন ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সরকার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। প্রতিবছরই এমন বিশেষ অভিযান পহেলা ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়। সেখানে বিএনপির মধ্যে আছে আগুন সন্ত্রাসীরা, সারা দেশে যারা ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছিল, মানুষ হত্যা করেছিল, তারা তো বিএনপির নেতাকর্মী। তাদের কাউকে যদি গ্রেফতার করা হয়, সেটিতে আইনগত বিষয়।

মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। যারা আগুন সন্ত্রাসের জন্য অর্থ দিয়েছিল, হুকুম দিয়েছিল, তাদেরতো এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। মানুষ মনে করছে, তাদেরও গ্রেফতার করা দরকার।

বিএনপি এখন নয়াপল্টন থেকে সরে এসে কাকরাইল, আরামবাগ কিংবা মতিঝিল এলাকায় সমাবেশ করতে চাচ্ছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি টেলিভিশনে দেখেছি, বিকল্প প্রস্তাব পেলে তারা সেটি নিয়েই কাজ করবে। হ্যাঁ, বিকল্প তো আছে। জনসভা তো হয় ময়দানে। জনসভা তো রাস্তায় হয় না। গাড়িঘোড়া বন্ধ করে মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলে জনসভা করা কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাজ না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের জনসভায় একটু ভোগান্তি হলেই তো কয়েকটি পত্রিকা লিখে যে ‘জনসভায় মানুষের ভোগান্তি হয়েছে’। সেই পত্রিকাগুলোকে এখন বিএনপির রাস্তায় জনসমাবেশ করতে চাওয়া নিয়ে লিখতে দেখি না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গতকাল আমরা চট্টগ্রামে জনসমাবেশ করেছি, তাতে লাখ লাখ মানুষ এসেছেন। পাঁচ বর্গ কিলোমিটার এলাকা ছিল মানুষে সয়লাব। কিন্তু আমরা ময়দানেই সমাবেশ করেছি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশের সব বড় সমাবেশ হয়েছে। কিন্তু বিএনপির তা পছন্দ না। তাদের শুধু রাস্তাঘাট পছন্দ। ব্যস্ত রাস্তা, যেখানে জনবসতি ও ব্যবসা বাণিজ্য আছে, সেখানে তাদের পছন্দ। কারণ গাড়িঘোড়া ভাঙচুর করা যাবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়া যাবে। সে কারণেই তারা রাস্তায় সমাবেশ করতে চাচ্ছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের ভূমিকার জন্য এবং স্বাধীনতা অর্জনের পর আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের যে ভূমিকা, সেজন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।

কয়েকদিন আগে জাপান-বাংলাদেশ মিত্রতার ৫০ বছর উদযাপন হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে জাপানের অনেকগুলো প্রকল্প চলমান আছে। আমরা তা নিয়ে আলোচনা করছি। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে জাপানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল আমরা উদ্বোধন করতে যাচ্ছি। মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরীতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনে জাপান আগ্রহ দেখিয়েছে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ দিকে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত বাংলায় গান গাইতে পারেন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তাকে জিজ্ঞেস করলাম, জাপানে চলে গেলে আপনার বাংলা গানের চর্চার কী হবে? সেটা অব্যাহত রাখতে হবে। এভাবে নানা বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা আলোচনা করেছি, পলিটিক্স অব ডিনায়েল, পলিটিক্স অব কনফ্রন্টেশন। সবকিছুতে না-বলার সংস্কৃতি বন্ধ করা উচিত।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি ও তার মিত্ররা যে সাংঘর্ষিক রাজনীতি করে, সেই বিষয়টি আমি তার সামনে তুলে ধরেছি। এগুলো যে উন্নয়নের প্রতিকূলতা, সে বিষয়ে তিনিও একমত। আমার সঙ্গে আলাপ চলাকালে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী নির্বাচনে সবাই অংশগ্রহণ করবে।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা; জানতে চাইলে তিনি বলেন, সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কারণ সফর এরইমধ্যে স্থগিত করা হয়েছে। সুতরাং সফর নিয়ে আলোচনার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS