শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন

১০ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৮১ Time View

দেশব্যাপী নৌযান শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরি ২০ হাজার টাকার নির্ধারণসহ ১০ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়েছে। এর ফলে সারা দেশে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে বিপাকে পরেছেন নৌ-যাত্রীরা। সকালে অনেক যাত্রী ঘাটে এসে লঞ্চ চলাচল বন্ধ দেখে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

রোববার (২৭ নভেম্বর) সকাল থেকে বরিশাল নদী বন্দরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নদীবন্দর ও লঞ্চঘাট থেকে অভ্যন্তরীন ও দূরপাল্লার যাত্রীবাহী কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি বলে জানা গেছে।

শ্রমিকদের ১০ দফা দাবি হলো- নৌযান শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বুক প্রদানসহ শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, খাদ্য ভাতা ও সমুদ্র ভাতার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করা, দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা, চট্টগ্রাম থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহে দেশের স্বার্থবিরোধী অপরিণামদর্শী প্রকল্প বাস্তবায়নে চলমান কার্যক্রম বন্ধ করা, বালুবাহী বাল্কহেড ও ড্রেজারের রাত্রিকালীন চলাচলের উপরে ঢালাও নিষেধাজ্ঞা শিথিল, নৌপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ, ভারতগামী শ্রমিকদের লান্ডিং পাস প্রদানসহ ভারতীয় সীমানায় সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করে সকল লাইটারিং জাহাজকে সিরিয়াল মোতাবেক চলাচলে বাধ্য করা, চরপাড়া ঘাটে ইজারা বাতিল ও নৌ-পরিবহন অধিদফতরের সব ধরনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধ করা।

৮টি শ্রমিক সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ নৌযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. শাহ আলম বলেন, সরকার সর্বশেষ ২০১৬ সালে ৫ বছরের জন্য নৌযান শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৭ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে। গত বছরের জুন মাসে মজুরি বাড়ানোর কথা থাকলে তা হয়নি। এরপর থেকে ফেডারেশনের নেতারা বেতন বৃদ্ধির জন্য দাবি জানিয়ে আসলেও সরকার ও নৌযান মালিকরা তাতে কান দেননি বলে জানান তিনি।

ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, শ্রম অধিদপ্তর গত ২১ সেপ্টেম্বর ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। পরে ১৩ অক্টোবর মালিকদের সঙ্গে বসে। শেষ বৈঠকে নতুন মজুরি নির্ধারণের জন্য ২০ অক্টোবরের মধ্যে সব অংশীজনদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর কিছুই হয়নি বলে মন্তব্য করেন শাহ আলম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS