1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
Title :
প্রায় ৭৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: ১৮ জনের বিরুদ্ধে ১৬ মামলা করবে দুদক রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তারেক রহমানের পাঁচ দফা প্রস্তাব নঈম নিজাম ও সাবেক এমপি ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সিলেটে বাড়ছে ডেঙ্গু, আরও ৮ রোগী শনাক্ত কুমিল্লায় ৬০ হাজার শলাকা সিগারেটসহ যুবক আটক বসুন্ধরা সিটিতে সনির নতুন শোরুম ও দেশের প্রথম অনুমোদিত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর ৪৩৩তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত অপরাধ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সমাজে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনদের এগিয়ে আসার আহ্বান ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি পদে ২ জনের পদোন্নতি নভোএয়ারের সকল ফ্লাইটে আইএফআইসি ব্যাংকের কার্ডে ১০% ছাড় এবং 0% ইএমআই সুবিধা

বকেয়া বিলের চাপে বিপাকে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র

  • আপডেট : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১২.১৩ পিএম
  • ২৬৪ Time View

গত বছরের জুলাইয়ের পর থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পাচ্ছে না বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো। নতুন সরকারের সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে তারা। তবে কেন্দ্র চালানোর জ্বালানি তেল আমদানি করার জন্য ব্যাংক ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছে না। তারা বলছে, এত বকেয়া রেখে পবিত্র রোজা ও গ্রীষ্মে চাহিদামতো বিদ্যুৎ সরবরাহ কঠিন হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানায় বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিইপপাএ)। বিদ্যুৎ খাতের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে তারা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এত বকেয়া রেখে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সংযোগ ঘটানো সম্ভব নয়।

সূচনা বক্তব্যে বলা হয়, ২০২২ সালে রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিল বকেয়া পড়তে থাকে। দুই দফা বন্ড জারি করে আওয়ামী লীগ সরকার বকেয়া সমন্বয় করে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে চার মাসের বকেয়া ছিল। এরপর আবার বকেয়া বাড়তে থাকে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত আগের বকেয়াসহ বিল পরিশোধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বিল কমে তিন মাসে নেমে আসে।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিইপপাএ) সভাপতি কে এম রেজাউল হাসনাত বলেন, জুলাইয়ের পর থেকে বিল পরিশোধ কমিয়ে দেওয়া হয়। বিল না দিয়ে উল্টো জরিমানা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে, যাতে নতুন সরকারের সময় লোডশেডিং নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়। একই বিষয়ে বিদেশি ও দেশি বিদ্যুৎ কোম্পানির মধ্যে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে তিনি তিনি অভিযোগ তোলেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে কে এম রেজাউল হাসনাত বলেন, বকেয়ার জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র না চালাতে পারার বিষয়টি নতুন সরকারের কাছে ব্ল্যাকমেল মনে হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এটা সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা নয়। যেকোনোভাবে উৎপাদন ধরে রাখতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তা–ও পরিস্থিতি সরকারকে জানিয়ে রাখা হচ্ছে। ব্যাংক থেকে ঋণপত্র খুলতে না পারায় তেল কেনা যাচ্ছে না; এটাই সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিইপপাএ বলেছে, বুধবার (গতকাল) দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৩ হাজার মেগাওয়াট, গত কয়েক বছরে এমন সময়ে এটা দেখা যাযনি। তার মানে এবারের গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়বে। বকেয়া নিয়ে উদ্যেক্তাদের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার আলোচনা করতে পারত, কিন্তু করা হয়নি। অথচ ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ আসে বেসরকারি খাত থেকে। বিইপপাএ নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায়। তবে সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় করতে হবে।

প্রসঙ্গত, চুক্তি অনুসারে দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে ১০ শতাংশ সময় উৎপাদন বন্ধ রাখতে (আউটেজ) পারে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর বাইরে বন্ধ রাখার সময় কেন্দ্র ভাড়া (ক্যাপাসিটি পেমেন্ট) পায় না তারা। জরিমানা দিতে হয় তাদের। বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া বিল জমতে থাকায় তারা বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে অস্বীকৃতি জানালে ২০২২ সালের জুলাই থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখার সময় হিসাব না করেই বিদ্যুৎ বিল দিতে থাকে পিডিবি। অন্তর্বর্তী সরকার এসে জরিমানা আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জরিমানা ও অতিরিক্ত কেন্দ্রভাড়া সুদসহ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ২ ফেব্রুয়ারি সিদ্ধান্ত নেয় পিডিবি।

এ–সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বিইপপাএর সাবেক সভাপতি ইমরান করিম বলেন, জরিমানা কর্তনের বিষয়টি আইনের মাধ্যমে হতে হবে। জরিমানা কাটার কোনো সুযোগ নাই। পিডিবি বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছে না। তাই আর্থিক সক্ষমতা না থাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যায়নি। এর জন্য জরিমানা আদায় তো আইনগত নয়। এটার গঠনমূলক সমাধান হওয়া প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসে নতুন সরকার এটি ঠিক করে দিতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com