সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নির্বাচনোত্তর সহিংসতার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ আজ রমজানে লেনদেনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা ডিএসইর সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে ০১জন আসামীসহ বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় সিরাপ এবং ০১টি সিএনজি আটক যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম, রংপুর মেডিকেলে ভর্তি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৯ বিলিয়ন রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব বিএনপি ৪৯.৯৭%, জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট: ইসি রমজানজুড়ে স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের সহিংসতার অভিযোগে বিক্ষোভে নামছে ১১ দলীয় ঐক্য বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সাইফুল ইসলাম নামে ব্যবসায়ী জবাই করে হত্যা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে পুনোরায় ভোট নির্বাচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ২১৬ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৩০ Time View

প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারি ২১৬ কোটি ডলার রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা একক মাস হিসেবে আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৩ সালের জুনে রেমিট্যান্স এসেছিলো প্রায় ২২০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এসেছিলো ১৫৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ সেই তুলনায় রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ বেড়েছে ৬০ কোটি ডলার।

সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারিসহ সবশেষ পাঁচ মাসের ইতিবাচক ধারায় রেমিটেন্স প্রবাহের গতি একটু একটু করে বাড়ছে। তবে চলতি অর্থবছরের শুরুতে পরিস্থিতি ছিল নাজুক। ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীদের পাঠানো আয় কমে যায়। প্রথম তিন মাসে নেতিবাচক ধারা দেখা গেছে রেমিটেন্সে, যা এখন আবার প্রবৃদ্ধির ঘরে গেছে।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে রেমিটেন্স এসেছিল ২১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার, নানা চড়াই উৎড়াই শেষে প্রবৃদ্ধি হয় ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এমন অবস্থায় বৈধ উপায়ে দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে সরকার নগদ প্রণোদনার হার ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করে। পরে তফসিলি ব্যাংকও এর সঙ্গে আরও সর্বোচ্চ আড়াই শতাংশ পর্যন্ত যোগ করে প্রণোদনা দেওয়া শুরু করে। রেমিটেন্স আকর্ষণে ডলারের বিনিময়মূল্য বাজারভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পাশাপাশি রেমিটেন্স পাঠাতে অন্যান্য শর্তের কড়াকড়িও শিথিল করা হয়। চলতি অর্থবছর থেকে একদিনে যেকোনো অঙ্কের রেমিটেন্স পাঠানোর সুযোগও আসে। কাগজপত্র জমার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়নি।

এছাড়া ব্যাংকিং চ্যানেলের নিজস্ব এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠাতে চার্জ তুলে দেওয়া হয়। এত চেষ্টার পরও রেমিটেন্সে কাঙ্ক্ষিত হারে না বাড়ার জন্য ‘হুন্ডি ব্যবস্থাকে’ দায়ী করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা দায়ী করে আসছেন খোলাবাজার ও ব্যাংকের মধ্যে থাকা দরের বড় ব্যবধানকে। খোলাবাজারে ডলারের দর বেশি হওয়াকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS