বাংলাদেশের আকাশে শনিবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সোমবার (৮ জুলাই) শুরু হচ্ছে মহররম মাস ও নতুন বছর ১৪৪৬ হিজরি। আগামী ১৭ জুলাই বুধবার (১০ মহররম)
দোয়া একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। যে কোনো সময় যে কোনো দোয়া পড়া যায়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের দোয়া শিখিয়েছেন। এমনকি ছোট থেকে ছোট বিষয়েরও দোয়া শিখিয়েছেন।
জীবনের পরতে পরতে পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। পরীক্ষা মানেই টেনশন। মহান আল্লাহ পৃথিবীতে প্রেরণই করেছেন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য। তাই তো পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে জন্মের পর থেকেই মহান আল্লাহ
মুসলমানের সম্মান ও মর্যাদা স্বীকৃত। তাই তো মারা গেলেও তাদের জন্য রয়েছে উত্তম ব্যবস্থা। কোনো মুসলমান মারা গেলে তার ক্ষমা প্রার্থনার জন্য মরদেহ সামনে নিয়ে বিশেষ নিয়মে যে দোয়া করা
মহান আল্লাহ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। সাপ, বিচ্ছুও তার সৃষ্টি। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমাদের প্রভু তিনি, যিনি প্রতিটি জিনিসকে এর আকার (গঠন ও অবয়ব) দান করেছেন। তারপরে একে সঠিক
মহান আল্লাহর সবচেয়ে বড় নেয়ামত হচ্ছে ‘হেদায়েত’। কেউ কাউকে হেদায়েত করতে পারেন না। তবে হেদায়েত লাভের জন্য দোয়া করতে পারেন। এটি করার একচ্ছত্র মালিক মহান আল্লাহ। ‘হেদায়েত’ আরবি শব্দ। এর
যে কোনো কিছু চাইলেই তা হয় না। প্রথমে আল্লাহ তাআলার কাছে চাইতে হয় তারপর চেষ্টা শুরু করতে হয়। তারপর চেষ্টা ও দোয়া দুটোই চালাতে হয়। তাহলে সে কাজে সফল হোক
মহান আল্লাহ সর্বোত্তম অবয়বে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। করেছেন সম্মানিত ও মর্যাদাবান। মানুষের প্রতিটি অঙ্গ মহান আল্লাহর দেয়া আমানত। এ আমানত রক্ষা করা মুমিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আর ট্রান্সজেন্ডার মহান আল্লাহর
প্রবৃত্তির দাসত্ব, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুত্বকে পরাভূত করার শিক্ষা নিয়ে আবারও এসেছে কোরবানির ঈদ। মহান আত্মত্যাগ, আত্মসমর্পণ এবং নিজেকে উৎসর্গ করার মহিমায় উদ্ভাসিত মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা
প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর পশু কোরবানি ওয়াজিব। একজন সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য ১০ জিলহজ কোরবানির থেকে উত্তম আমল আর কিছু নেই। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেছেন, কোরবানির দিন আদম সন্তান যে