সড়ক অবরোধের কারণে রাজধানীতে গত কয়েক দিন মেট্রোরেলে বেড়েছে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ। অন্যান্য দিনের তুলনায় অবরোধের দিনগুলোতে যাত্রীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে গত কয়েকদিন অর্ধদিবস সড়ক অবরোধ থাকলেও আজ বুধবার সারাদিনই ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। যাত্রীর চাপ সামলাতে কয়েকটি স্টেশনের গেইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাধারণত আমরা প্রতিদিন প্রায় তিন লাখ যাত্রী পরিবহন করি। কিন্তু গত কয়েক দিনে প্রতিদিন সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার যাত্রী মেট্রোতে চলাচল করেছে।’
মতিঝিল, সচিবালয়, কারওয়ান বাজার ও উত্তরা উত্তর স্টেশনে সবচেয়ে বেশি যাত্রী ছিল বলে জানান তিনি।
সাময়িকভাবে গেট বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি জানান, প্রথম তলায় যাত্রী অবস্থান করার একটি নির্দিষ্ট ক্ষমতা আছে। ভিড় বেশি হয়ে গেলে সাময়িকভাবে ওই স্টেশনগুলো বন্ধ রাখতে হয়েছে।
যখন যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে চলে যায় এবং প্রথম তলা কিছুটা ফাঁকা হয় তখন গেট খুলে দিয়ে যাত্রীদের প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয় বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, কোটা বিরোধী আন্দোলনে আজ সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। গত ৭ জুলাই থেকে ‘বাংলা ব্লকেড’ নামে এই কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম দুদিন অর্ধদিবস অবরোধ চলার পর মঙ্গলবার একদিন বিরতি দিয়ে আজ সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ কর্মসূচি চলে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সড়ক অবরোধ চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply