সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সুলতানপুরে আব্দুর রউফের ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা উত্তরায় সাংবাদিক কল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে মরহুমা বেগম জিয়ার রুহের দোয়া ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ ত্রয়োদশ রাষ্ট্রীয় নির্বাচনে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নারী প্রার্থীদের ইশতিহার, মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রে সকল ধর্মের সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ফু-ওয়াং সিরামিক পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে বিডিকম অনলাইন জৈন্তাপুর ডিবি হাওরের লাল শাপলা পর্যটনের সৌন্দর্য হারাতে বসেছে কচুরিপানার আগ্রাসনে সংসদ নির্বাচন ও গনভোট উপলক্ষে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং বন্ধ ৯ দিন রাজারহাটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫পরিবারের সর্বস্ব ভস্মীভূত ময়মনসিংহ নগরীতে মসিকের অর্থায়নে শতাব্দীর প্রাচীনতম পানির কল সংরক্ষণ

একাত্তরের গণহত্যায় নিহতদের দেহাবশেষ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৪৭ Time View

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর গণহত্যায় নিহতদের দেহাবশেষ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের (এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি) উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।

আইএসপিআর এর সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান জানান, সোমবার (১১ এপ্রিল) দেহাবশেষসমূহের অবশিষ্টাংশ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

তিনি জানান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের অসংখ্য বধ্যভূমিতে বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ চালায়। মিরপুর মুসলিম বাজার বধ্যভূমি এসব বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে অন্যতম। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও তাদের মদদপুষ্ট রাজাকারদের হিংস্রতা যে কত ভয়াবহ ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসে।

২৭ জুলাই ১৯৯৯ তারিখে মিরপুর ১২ নং সেকশনের নূরী মসজিদের সংস্কার কাজ করার সময় কূপ খনন করলে বেরিয়ে আসে ১৯৭১ সালের সেইসব হত্যাযজ্ঞের স্মৃতিচিহ্ন। মাথার খুলি ও হাড়গোড়ের সাথে বেরিয়ে আসতে থাকে মানুষের চুলের বেনী, ওড়না, কাপড়ের অংশবিশেষসহ শহীদদের বিভিন্ন ব্যবহার্য সামগ্রী।

আইএসপিআর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকৃত হাড় ও খুলিসমূহ একাত্তরের গণহত্যার নিদর্শন কি না তা নিশ্চিতকল্পে ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস্ ফাইন্ডিং কমিটি কর্তৃক মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের নিদর্শনসমূহের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং শহীদদের রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজনের ‘টিস্যু স্যাম্পল’ নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষণা সম্পন্ন করা হয়।

পরবর্তীতে দেহাবশেষসমূহের কিছু মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং কিছু সেনাবাহিনীর জাদুঘরে সংরক্ষণের জন্য প্রদান করা হয়। অবশিষ্ট দেহাবশেষসমূহ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সম্মানজনকভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

এ সময় সেনাবাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS