বছরের প্রথম মাসেই রেমিট্যান্সে সুবাতাস। সদ্যবিদায়ী জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১০ কোটি মার্কিন ডলার, যা চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডলার সংকটের মাঝেই সুখবর বয়ে আনল প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। বছরের প্রথম মাসেই রেমিট্যান্সে সুবাতাস। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র বলছে, বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ২১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা চলতি অর্থবছর বা গত ৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে গত জুনে এসেছিল ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত মাসের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহের গতি ভালো ছিল। তখনই রেমিট্যান্স ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হয়েছিল। মূলত বাড়তি প্রণোদনার ঘোষণায় বাড়ছে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা।
এর আগে ২২ অক্টোবর থেকে বৈধ চ্যানেলে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় দেশে পাঠালে প্রতি ১০০ টাকায় প্রণোদনার সঙ্গে প্রবাসীদের বাড়তি আরও আড়াই শতাংশ বেশি অর্থ দেয়ার নির্দেশনা কার্যকর করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের দেয়া আড়াই শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও আড়াই শতাংশ অর্থ বেশি দিয়ে রেমিট্যান্স কিনতে পারবে ব্যাংকগুলো।
এদিকে গত ডিসেম্বরে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আর গত নভেম্বর, অক্টোবর, সেপ্টেম্বর, আগস্ট ও জুলাইতে এসেছে যথাক্রমে ১৯৩ কোটি ৪০ হাজার, ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার, ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার, ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, ৫০ হাজার ও ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
আর গত অর্থবছরের জুলাইতে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার, আগস্টে ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার, সেপ্টেম্বরে ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ, অক্টোবরে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার, নভেম্বরে ১৫৯ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার, ডিসেম্বরে ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ, জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার, মার্চে ২০২ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার, মে মাসে ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ও জুন মাসে এসেছিল ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।