1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
Title :
সিলেটে নতুন করে করোনা ভাইরাসের হানা, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ অসুস্থ শরীরেও মহিষ চরাতে গিয়ে রেললাইনে ঘুমান্ত অবস্থায় চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু টাঙ্গাইলে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অধিকার নিয়ে মতবিনিময় উত্তরবঙ্গের জননেতা মুহাম্মদ সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী মুহাম্মদ এর সরকারের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্চ করে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন মাধবপুরে বিয়ের আশ্বাসে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকা, বাচ্চা নষ্ট করতে হুমকি প্রেমিকের নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিতে রিয়েলমি সি১০০এক্স নিয়ে এলো সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি কার্যালয় দখল ও পাল্টা দাবিতে ৩ কমিটির লড়াই; মধুপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির গৃহযুদ্ধ চরমে! এসএসসি-সমমানের ফলে কমল পাসের হার, জিপিএ-৫ও কমেছে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ দেশের তিন গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

উত্তরবঙ্গের জননেতা মুহাম্মদ সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী মুহাম্মদ এর সরকারের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্চ করে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১.৫১ পিএম
  • ৪০ Time View

নিজের পরিবারকে হয়রানি, মিথ্যা মামলা, সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ এবং নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গের জননেতা মুহাম্মদ সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী মুহাম্মদ।

১০ অক্টোবর সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ ও দাবি তুলে ধরেন।

সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি একটি হার্টফেলকৃত স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে এবং আরও কয়েকজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, পারিবারিক ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ মামলার সৃষ্টি হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৯ জুন ২০২৬ কাইয়ুম চৌধুরী মারা যান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কাইয়ুম চৌধুরীর আগে দুইবার হৃদযন্ত্রে রিং পরানো হয়েছিল। ঈদের দিন ও পরদিন অতিরিক্ত গরুর মাংস খাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে সে কারণে তিনি জুম্মার নামাজ আদায় করতে যাননি এবং তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে মারা যান।

তবে পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তির উদ্যোগে স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাঁদের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠীর তৎপরতায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিকে সম্পৃক্ত করে তাকে এবং অন্যদের হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে মৃত ব্যক্তির পোস্টমর্টেম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

সিরাজ উদ্দৌলা চৌধুরী বলেন, বর্তমান মামলার পেছনে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, পারিবারিক ও ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ইতিপূর্বে তাঁর পিতার প্রায় ৩০ বিঘা জমির ক্ষতি করা হয়েছে এবং বর্তমানে প্রায় ১২ বিঘা জমি জোরপূর্বক ভোগদখলে রাখা হয়েছে।

এই জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাকে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা এবং বিশেষ করে নীলফামারী থানার ৫২/২০১, জিআর ২০১/২৬ পিবিআই অথবা এমআই দ্বারা কথিত হত্যা মামলাটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী।

পাশাপাশি কাইয়ুম চৌধুরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভিত্তিতে নির্ধারণের আহ্বান জানান তিনি।

তাঁর বক্তব্য, কোনো অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে মিথ্যা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করা উচিত নয়।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এই সুযোগে ইতিপূর্বে তাঁদের বাড়ির দরজা ও ভল্ট ভেঙে অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট এবং হত্যাচেষ্টার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে হয়রানি, গ্রেপ্তার বা মামলায় ফাঁসানোর আশঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকারকর্মী, বিচার বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ফ্যাসিস্ট দ্বারা নিজের বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও সম্পত্তিগত স্বার্থ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী।

তিনি দাবি করেন, তাঁর একটি ভবন থেকে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের শাখা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ফ্যাসিস্ট কিছু কর্মকর্তার সহায়তায় অন্যায়ভাবে আওয়ামী লীগ নেতার ভবনে অনেক দূরে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে আবার চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে তাঁর আরেকটি ভবন থেকে উদ্দীপন শাখা যাদুরহাট সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ ছাড়া ‘দাদীমা এগ্রো ফার্ম লিমিটেড’-এর বরাদ্দ বাতিলের বিষয়টিও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে তাঁর ন্যায্য অধিকার ও সম্পত্তি উদ্ধার ও পুনর্বহালের দাবি জানান তিনি।

তিনি জানান, তাঁর এলাকায় পতিত ও অনুর্বর জমিকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের জন্য বড় পরিসরে শিক্ষা, কৃষি ও মানবিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার একর জমিতে তারেক জিয়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ডাঃ জোবায়েদা খালেদা জিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, যাদুরঘাট এলাকায় প্রায় ১ হাজার ১০০ একর জমিতে আন্তর্জাতিক মানের জাইমা জিয়া + চেলসিয়া কিèটন মানবিক ও দাতব্য কমপ্লেক্স এবং প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য অবাক পৃথিবী পিকনিক স্পোর্ট, ওল্ড হোম কাম ব্ল্যাইন্ড কর্নারসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

সেনাকল্যাণ ও জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি। সুযোগ পেলে সেনাকল্যাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি তহবিল গঠনে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে বড় পরিসরে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের আহ্বান জানান সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী।

চীন ও ভারতের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি চীন, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যোগ্য, অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার পক্ষেও মত দেন তিনি।

সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের কাছে কয়েকটি নির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে
১. তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত;
২. নীলফামারীর কথিত হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত;
৩. কাইয়ুম চৌধুরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারণ;
৪. তদন্তে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা;
৫. তাঁর ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
৬. পৈতৃক সম্পত্তি ও ভূমি-সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত করা;
৭. ব্যবসা ও সম্পত্তির বিষয়ে আইন ও চুক্তি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া;
৮. সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে হয়রানি না করা;
৯. পরিবারের দীর্ঘদিনের ক্ষয়ক্ষতি ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত অভিযোগ বিবেচনা করা; এবং
১০. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার না করা।

সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে সিরাজ উদ দৌলা চৌধুরী বলেন, তারাসহ স্থানীয় পুলিশ মূলত জেলা কোর কমিটি একটি ইশারায় আমাকে নিলামে তুলে অন্য পদ্ধতিতে অথবা জেলে বন্দী রেখে হত্যা করার পায়তারা চালাইতেছে। এ জন্য আমি আন্তর্জাতিক ও দেশীয় যথাযথ কর্তৃপক্ষসহ আপনাদের ন্যায় সাহায্য সহযোগিতা একান্ত কামনা করছি। তাঁর প্রত্যাশা সত্য উদঘাটিত হোক, প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত হোক এবং নিরপরাধ ব্যক্তিরা হয়রানি থেকে মুক্তি পাক। তিনি সাংবাদিকদের প্রতি তাঁর অভিযোগগুলো যাচাই করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা এবং অনুসন্ধানী যথাযথ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় কর্তৃপক্ষসহ সাংবাদিকতার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com