মোঃ ইউসুফ আলী, হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ভূমি মালিক মধ্যবিত্ব চাষিরা সার সংকটে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এই এলাকার ক্ষুদ্র প্রান্তিক মধ্যবিত্বরা কৃষকরা জমির পর্চা / কাগজ দেখিয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সার ক্রয় করতে হচ্ছে।তবু প্রয়োজনের তুলনায় সার পাচ্ছে কম।
চলতি মৌসুমে আমন ধানের আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ১৬৪৪০ হেক্টর , হাইব্রীড ২১১০ হেক্টর, উপসি জাতের ধান ১৪৩৩০ হেক্টর আবাদ হয়েছে। অত্র উপজেলাতে বি এ ডি সি সার ডিলার ২২ জন, বিসি আই সি সারডিলার ৬ জন, জুলাই মাসে সারের মোট বরাদ্দের পরিমান ২০২৫ সালে জুলাই মাসে সারের মোট বরাদ্ধ ছিল ইউরিয়া ৬৬৬ মেঃটঃ, টিএসপি ১৫২ মেঃটঃ, ডেপ ৩৭০ মেঃটঃ, পটাশ, ৩৫৫ মেঃটঃ,২০২৬ সালের জুলাই মাসে বরাদ্ধের পরিমান ইউরিয়া ৭২৭ মেঃটঃ, টিএসপি ৪২০ মেঃটঃ, ডেপ ১২৪ মেঃ টঃ , পটাশ ৩৩৫ মেঃটঃ ।চলতি আগষ্ট মাসে সারের বরাদ্বের পরিমান ইউরিয়া ৮৬৩ মেঃ টিএসপি ২২৫ মেঃ ডিএপি ১৫৯ মেঃ, এম ও পি ২৯০ মেঃ, অফিস সুত্রে জানাগেছে। নন্দগাঁও গ্রামের মিলপাড়ার আলহাজ¦ জসিম উদ্দিন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ জানালেন আমি ৪০ বিঘা আমন ধান রোপন করেছি। এর্পযন্ত ২৫ কেঃ পটাশ, ২৫ কেজি ফসপেট সার পেয়েছি। রহমতপুর গ্রামের মোঃ মজিবুর রহমান ,গফুর আলী সহ আরো অনেকে জানালেন যে, লাইনে দাড়িয়ে থেকে ৩ বস্তা সার পেয়েছি ।দামোলের রহমত সহ আরো অনেকে ঘণ্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে থেকে জমির র্পচা দেখিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কমসার পেয়েছি।জনৈক ধান চাষি জানালেন যে, সারের অভাবে আমন ধানের উৎপাদন ব্যহত হবে। ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলা খাদ্যসস্য ভাণ্ডার।
অপরদিকে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবুতাহের এর সতি যোগাযোগ করলে প্রতিবেদকে জানান যে, কৃষকের মাঠ পর্যায়ে সারের চাহিদা অনুয়ায়ী সার ডিলাররা সার পাচ্ছে কম, সেই কারনে কৃষকের চাহিদা মোতাবেক ডিলাড়রা সার দিতে পারছেনা। হরিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শাহিনুর রহমান জানালেন যে, চাহিদা অনুযায়ি সারের বরাদ্দ কম হওয়ায় সারের অভাব লেগেই থাকছে।