জাতীয় পার্টিতে (জাপা) কোনো দ্বন্দ্ব নেই- জানিয়ে দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, গত কয়েকবারের চেয়ে এবার বেশি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। সোমবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলেই ৩০০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
রোববার (২৬ নভেম্বর) জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি জাপার প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে স্বাগত জানাবে দল।
নেতাকর্মীদের পদচারণায়, স্লোগানে স্লোগানে মুখর জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে এককভাবে অংশগ্রহণের ঘোষণার পর যেন, নতুন করে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা। টানা চার দিনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন প্রায় ১৮০০ নেতাকর্মী। আসন্ন নির্বাচনে লাঙলের কাণ্ডারি খুঁজতে শুক্রবার থেকে শুরু হয় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া। সেই ধারাবাহিকতায় এদিন তৃতীয় দিনেও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ হচ্ছে।
সকাল ১০টা থেকে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে শুরু হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার।
মনোনয়ন প্রত্যাশীরা জানান, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে লাঙল প্রতীক পেলে কাজ করবেন দেশের জন্য।
এদিকে ব্রিফিংয়ে দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, গত কয়েকবারের চেয়ে এবার বেশি মনোনয়নপত্র বেশি বিক্রি হয়েছে। তবে রওশন এরশাদ এখনও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেননি।
দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের মধ্যে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে চুন্নু জানান, এটি তাদের পারিবারিক বৈঠক ছিল।
আগামীকাল সোমবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলের মধ্যেই ৩০০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হবে বলে জানান জাতীয় পার্টির মহাসচিব।
চলতি মাসের ১৫ তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হবিবুল আউয়াল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়নের আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এবং ভোটগ্রহণ ৭ জানুয়ারি।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ভোট হতে হবে। গত ১ নভেম্বর থেকে এবারের নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইসির। সে অনুসারে ১৫ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply