লিওনেল মেসিকে বলা হয় গ্রহের সেরা খেলোয়াড়দের একজন। গত দুই দশকে একের পর এক চমক দেখিয়ে সেটা ভালোভাবেই প্রমাণ করেছেন আর্জেন্টাইন এই জাদুকর। ফুটবল বিশ্বের এমন তারকাকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ তো থাকবেই।
কাতার বিশ্বকাপে ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে দেশকে বিশ্বসেরার মুকুট এনে দিয়েছেন মেসি। জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তির পর মেসি খেলাই ছেড়ে দেবেন–এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকে। অন্তত বিশ্বকাপে আসার আগে মেসির ইঙ্গিতটা ছিল সে রকমই। তবে খেলাপাগল এই তারকা মাঠ ছাড়লেন না। বিশ্বকাপ শেষে জানান, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলতে চান আরও কিছুদিন।
মেসির আরও কিছুদিন নিয়ে এখন শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা-কল্পনা। সতীর্থ, কোচ থেকে শুরু করে সবাই চাইছেন পরের বিশ্বকাপটাও খেলুক মেসি। কিন্তু বিশ্বকাপের ফাইনালে নামার আগে স্পষ্ট করে মেসি জানিয়েছিলেন, এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ। তবে কি সেই প্রতিজ্ঞা ভেঙে আবারও বিশ্ব আসরে নামবেন মেসি? আর তার কিছুদিনই-বা কতদিন? এমন অজস্র প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে ভক্তদের মনে।
২০২৬ বিশ্বকাপের সময় মেসির বয়স হবে ৩৯ বছর। বয়সটা তখন খুব বড় ইস্যুই হয়ে দাঁড়াবে এই তারকার জন্য। তবে মাঠের ফুটবলে মেসি যে জাদু দেখিয়ে এসেছেন এতদিন, সেটা অব্যাহত রাখতে পারলে বয়সটা তখনও কোনো ব্যাপার হবে না। তাই পরবর্তী বিশ্বকাপে মেসি খেলবেন কি না, সেই প্রশ্ন এবার ঘুরেফিরে এলো আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রধান ক্লদিও তাপিয়ার কাছে।
আগামী বিশ্বকাপে মেসি খেলবেন কি না, আর্জেন্টিনার পত্রিকা ওলের করা এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি তাপিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই তাকে মাঠে দেখতে চাই। আমি চাই সে খেলে যাক, খেলাটা উপভোগ করুক। এখন আমরা তাকে খেলাটা উপভোগ করতে দেখছি। সে আনন্দিত ও গর্বিত।’
বিশ্বকাপের প্রসঙ্গে সরাসরি উত্তর না দিলেও পরবর্তী কোপা আমেরিকায় মেসি থাকছেন, এটা অনেকটা নিশ্চিতের সুরেই জানিয়েছেন তাপিয়া। মেসিকে নিয়ে এএফএ-র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা গর্বিত যে সে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে। আমরা তাকে মাঠে আরও দেখতে চাইব। আগামী বছর আমাদের কোপা আমেরিকা আছে। (তাকে নিয়ে আরও শিরোপা) জিতব, এটাই তো সবার চাওয়া।’