বিদেশ থেকে কাগজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে সংগঠনটি এ প্রস্তাবনা দেন।
প্রাক বাজেট আলোচনায় ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উপদেষ্টা ওসমান গনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রণোদনা দিয়েছেন কিন্তু নানা জটিলতায় প্রকাশনা ব্যবসায়ীরা তা পায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমদানি করা কাগজের দাম বাড়ছেই। আমদানিতে কর অব্যাহতি দেওয়া হলে কাগজের দাম কমবে। তাই আমরা কাগজ আমদানিতে কর অব্যাহতির প্রস্তাব করছি।’
সংগঠনটির সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘কাগজের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। এটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আমরা জানিনা। বিদেশী কাগজ আমরা ব্যবহার করতে পারি না, কারণ এটার ওপর অনেক বেশি কর দেওয়ার কারনে দাম নাগালের বাইরে। কাগজের দাম বাড়তি থাকার কারণে বইয়ের দাম বাড়ছে। এটা কোথায় গিয়ে দাড়াবে আমরা জানি না। তাই প্রকাশনা ব্যবসায়িদের বিশেষ ব্যবস্থায় কম শুল্ক দিয়ে কাগজ আমদানির ব্যবস্থা করার দাবী জানাই।
তিনি আরও বলেন, ই-কমার্সের সঙ্গে পুস্তক ব্যবসাকে যুক্ত করা হয়েছে যেটি খুবই দু:খজনক। বিক্রয়ের বিপরীতে অগ্রিম আয়কর কর্তনের বিধান করা হয়েছে যেটা খুবই অবাস্তব। এই কর কর্তন থেকে অব্যাহতির প্রস্তাব করছি।
ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার বলেন, ই-কমার্সে খাতে ৫ লাখ লোকের সরাসরি কর্মসংস্থান হচ্ছে। এ খাতে বিদেশী বিনিয়োগ আসছে। কিছু উদ্যোক্তাদের ম্যাল প্র্যাকটিসের কারণে এ খাতে ক্ষত সৃষ্টি হচ্ছে। তবে এ খাতের ৯৮ শতাংশ উদ্যোক্তা সততার সঙ্গে কাজ করছে। ই
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অফিস, গোডাউন, সর্টিং হাউজ ভাড়ার উপর ভ্যাট রহিত করার, ই-কর্মাস থেকে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট, ভেন্ডরকে তার পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে আয়কর কর্তনের বিধান প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করেছে ইক্যাব।