1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
Title :
তৌকীর আহমেদের নির্দেশনায় ১৪ আগস্ট আবারও মঞ্চস্থ হচ্ছে নাট্যকেন্দ্রের প্রযোজনা ‘তীর্থযাত্রী’ আশুলিয়া ইউপিতে ২০ লাখ টাকার বদলি বাণিজ্যের নেপথ্যে ‘বদলি সম্রাট’ আবুল কালাম আজাদ আমদানি ও এলসি সংক্রান্ত নির্দেশনা একীভূত করল বাংলাদেশ ব্যাংক সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে দেশ গার্মেন্টস সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্স সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল খুনের রহস্য উদঘাটনে নতুন ইস্যু আলোচনায় ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম ইউটিলিটি-গ্রেড গ্রিড-ফর্মিং স্মার্ট স্ট্রিং ইনভার্টার ও এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম নিয়ে এল হুয়াওয়ে ইসলামী ব্যাংকের উপশাখাসমূহের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল খুনের রহস্য উদঘাটনে নতুন ইস্যু আলোচনায়

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯.৫০ পিএম
  • ৩৯ Time View

সিলেট প্রতিনিধি: সময় যত গড়াচ্ছে সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল খুনের রহস্য উদঘাটনে নতুন ইস্যু আলোচনায় উঠে আসছে। আসল রহস্য কি গৃহকর্মীর প্রেম না কি জয়গা জমি নিয়ে বিরোধ তার রহস্য ঘনিভূত হচ্ছে।

সিলেট মহানগরীর রায়নগর রাজবাড়ি এলাকায় মিতালি ১১১নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় নির্মম ভাবে খুন হন স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীসহ তিন জন। এই হত্যাকান্ডের ঘটনার পর থেকে গোটা সিলেট জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মহানগীর রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় এই হত্যারকান্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় একই দিন বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাবুল মিয়া নামের একজনকে গ্রেফতার করে।  নিহতরা হলেন- মৃত আবরু মিয়ার ছেলে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার মালিক মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)।

জানা গেছে, হত্যাকান্ডের এই ঘটনার পর পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশ গুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করে।

ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে পুলিশ জানায়, নিহতদের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলের দেয়াল ও বাথরুমের বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ দেখা গেছে। সাত্তারের কক্ষের তিনটি ওয়ারড্রোব তছনছ অবস্থায় পাওয়া যায়।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র খোয়া গেছে। মেঝেতে একটি দলিলের কপিও পাওয়া গেছে। রিকাবীবাজারের একটি সম্পত্তি নিয়ে চলমান বিরোধ ও মামলার একটি ঝামেলা চলছিল বলে জানা গেছে। ওই মামলার একটি শুনানি আগামী ১৯ আগস্ট হওয়ার কথা ছিল।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহত আব্দুস সাত্তারের আইনজীবী আজিজুর রহমান মানিক। তিনি জানান, রিকাবীবাজারের পুলিশ লাইন লুসাই গির্জা সমিতির জায়গা ও সেখানে ইম্পাস টাওয়ার নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। গির্জা সমিতির কাছ থেকে লিজ নিয়ে সেখানে বাসা ও স্থাপনা নির্মাণ করে ছিলেন মো. আব্দুস সাত্তার। ২০২৩ সালে তিনি ওই সম্পত্তি নিয়ে স্বত্ব মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ২১১/২৩। পরে আদালতের আদেশের বিররুদ্ধে সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে সিভিল রিভিশন মামলা করেন। ওই মামলায় আব্দুস সাত্তারকে বিবাদী করা হয়। মামলাটির নম্বর ৭০/২৩ এবং আগামী ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ নির্ধারিত ছিল।

আইনজীবী আজিজুর রহমান মানিক আরও বলেন, প্রতিটি শুনানিতে আব্দুস সাত্তার আদালতে হাজিরা দিতেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগেও তিনি শুনানিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নিহতের পরিচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে হত্যাকান্ডের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর ধারণা, পরিকল্পিত ভাবে আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, হত্যাকান্ডের সম্ভাব্য বিভিন্ন কারণ সামনে রেখে তদন্ত চলছে। রিকাবীবাজারের জায়গা নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মুঠোফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। তিনি বলেন, ‘ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিন জনকে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে প্রেম সংগঠিত বিষয়ে এই তিনটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। তবে পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জানা যায়, আব্দুস সাত্তার সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ছিলেন। এক সময় তিনি কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের উপদেষ্টা ছিলেন। এক ছেলে ও এক  মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ও দুই মেয়ে যুক্তরাজ্যে থাকেন। তাঁদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ফলে বুধবার পর্যন্ত নিহত দম্পতির সন্তানদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com