সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সপ্তাহের প্রথম দিন ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে প্রাইম টেক্সটাইল সপ্তাহের প্রথম দিন ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ অটোকারস সপ্তাহের প্রথম দিন ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে একমি পেস্টিসাইড অসহায় ও পিছিয়ে পড়া নারীদের ভাগ্য উন্নয়নে এনজিওদের যথেষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে- সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি বীরগঞ্জে দুই সিনটা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী আটক হরিপুরে পুলিশের জনসচেতনতামূলক সভা সম্পণ্য হয়েছে ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহণ করে মোটর সাইকেল পেলেন মাঈন উদ্দিন ও মোঃ জিয়াউল হক সড়কে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ ভ্যানের চালক নিহত লিবিয়া থেকে গ্রীসে যাওয়ার পথে সুনামগঞ্জের ১০ যুবকের মৃত্যু, শোকের ছায়া ‎ফুলছড়িতে তাণ্ডব: বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, ১৩ জনকে পিটিয়ে জখম—জীবন নিয়ে শঙ্কায় পরিবার ‎

সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ধস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ১২ মার্চ, ২০২৩
  • ১৮৩ Time View

সঞ্চয়পত্র খাতে সরকার বেশি সুদ দিতে চায় না। এজন্য বিক্রি কমানোর উদ্যোগ হিসেবে খাতটিতে সুদের হার কমিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিভিন্ন কড়াকড়ি আরোপের কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ধস নেমেছে। একটি সময় মধ্যবিত্ত পরিবারের আস্থার জায়গা ছিল সঞ্চয়পত্র। চাকরি থেকে অবসরের পর পাওয়া অর্থ কিংবা মধ্যবিত্ত পরিবারের হাতে বাড়তি টাকা থাকলে সেগুলো সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতো। তবে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ৩ হাজার ৬৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কমেছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের হালনাগাদ তথ্য থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের এই সাত মাসে যত টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে তা দিয়ে গ্রাহকদের আগে বিনিয়োগ করা সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। উল্টো ৩ হাজার ৬৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা সরকার তার কোষাগার থেকে অথবা ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়ে শোধ করেছে।

এর আগে গত ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ১৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ ওই সাত মাসে সুদ-আসল পরিশোধের পরও সরকারের কোষাগারে ১২ হাজার ১৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা জমা ছিল। এর ফলে তখন ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।

এদিকে চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে মাত্র ৩৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এই বিক্রির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্র বিক্রি ব্যাপকহারে কমছে।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছর সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সরকার। এর বিপরীতে প্রথম সাত মাসে এই খাত থেকে কোনো ঋণ পায়নি সরকার, উল্টো শোধ করেছে। এ অর্থ বছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১ লাখ ১৪ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা।

এর আগে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চাপ কমাতে ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে মুনাফার ওপর উৎসে করের হার ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একই সঙ্গে এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি না করার শর্ত আরোপসহ আরও কিছু কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তার পরও বাড়তে থাকে বিক্রি।

সর্বশেষ সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমাতে ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদের হার ২ শতাংশের মতো কমিয়ে দেয় সরকার। এর পর থেকেই বিক্রি কমছে।

এদিকে সঞ্চয়পত্র থেকে কোনো ঋণ না পাওয়ায় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার। আগের অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ছিল ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এবার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ নেয়ার লক্ষ্য সরকারের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS