1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
Title :
ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের কমিটি পুনর্গঠন: সভাপতি নাসির, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা জাইমা রহমান, শুভেচ্ছা জানালেন জিসপের সভাপতি দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে খুলনায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার- ১১ হজ নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে শুক্র-শনিবার ব্যাংক খোলা রেমিট্যান্স সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রায় জমার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকের ১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা শরিয়াহভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবসা চালু করবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স দেশে প্রথমবার ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন বাংলাদেশ ব্যাংকের

আরেক মামলায় খালাস পেলেন তারেকের বন্ধু মামুন

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১.৪১ এএম
  • ৮০ Time View

সম্পদের তথ্য গোপন করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন। গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের পক্ষে শুনানি করেন ফিদা এম কামাল, আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আসিফ হোসেন। 

২০০৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় একই সালের ৮ মে দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করে। মামলায় মামুনের বিরুদ্ধে ১০১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩’শ ৬৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ মার্চ বিচারিক আদালত মামুনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করলে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ ২০১২ সালের ৩০ জুলাই খালাস পায় মামুন। পরে এ মামলায় আপিল বিভাগে যায় দুদক।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচার মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ৭ বছরের সাজার রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। এ মামলায় গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাত বছরের কারাদণ্ডের রায় বাতিল করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে খালাস দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মানি লন্ডারিং মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেন ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে।

মামলার বিষয়ে মামুনের আইনজীবী সাব্বির হামজা চৌধুরী জানান, ২০১৯ সালে এই মামলার ফরমায়েশি রায়ে গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের সাজা, ১২ কোটি টাকা অর্থদণ্ড এবং ৬ কোটি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৬২ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরইমধ্যে তিনি ওই সাজাও খেটেছেন। তবে স্বাধীন বিচারিক রায়ে ওই মামলায় তিনি এবার বেকসুর খালাস পেলেন। উচ্চ আদালত এই রায় দেন।

২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করে দুদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিটিএল ও গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালের চেয়ারম্যান এম শাহজাদ আলী নেদারল্যান্ডসের একটি ঠিকাদারি কোম্পানির বাংলাদেশের এজেন্ট ছিলেন। ওই কোম্পানি রেলওয়ের সিগন্যালিং আধুনিকীকরণের টেন্ডার পান।

কিন্তু ২০০৩ সালে কার্যাদেশ চূড়ান্ত করার সময় গিয়াস উদ্দিন মামুন ওই কাজের বিপরীতে তার কাছে অবৈধ কমিশন দাবি করেন। নতুবা কার্যাদেশ বাতিল করার হুমকি দেন। এরপর শাহজাদ আলী ২০০৪ সালে ৬ কোটি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা মামুনের লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকের হিসাবে জমা করেন।

এ মামলায় ২০১৯ সালের ২৪ এপ্রিল তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন । এছাড়া ১২ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

রায়ে লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকের হিসাবে থাকা ৪৪ হাজার ৬১০ দশমিক শূন্য ৮ ব্রিটিশ স্টার্লিং (বাংলাদেশি টাকায় ৬ কোটি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা) বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন তিনি। সেই আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় দেন হাইকোর্ট।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com