সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নির্বাচনোত্তর সহিংসতার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ আজ রমজানে লেনদেনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা ডিএসইর সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে ০১জন আসামীসহ বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় সিরাপ এবং ০১টি সিএনজি আটক যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম, রংপুর মেডিকেলে ভর্তি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৯ বিলিয়ন রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব বিএনপি ৪৯.৯৭%, জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট: ইসি রমজানজুড়ে স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের সহিংসতার অভিযোগে বিক্ষোভে নামছে ১১ দলীয় ঐক্য বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সাইফুল ইসলাম নামে ব্যবসায়ী জবাই করে হত্যা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে পুনোরায় ভোট নির্বাচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বাণিজ্য ঘাটতি ৪৫৯ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২২৪ Time View

ডলার সংকটের কারণে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিলো বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানি নিয়ন্ত্রণের কারণে কমেছে দেশের বিদেশি লেনদেনের ঘাটতি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৪৫৯ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে দেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে যার পরিমাণ ৫০ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্য (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশের পণ্য আমদানি হয়েছে ৩ হাজার ৫৮ কোটি ডলারের। একই সময়ে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৫৯৮ কোটি ডলারের পণ্য। এতে ৪৫৯ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে দেশ। গত বছরের একই সময়ে বাণিজ্যে ঘাটতি ছিলো ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে ৭৭২ কোটি ডলারের বাণিজ্যে ঘাটতি কমেছে।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২২ সালে দেশে ডলার সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। এরপরে বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করে। এরফলে এলসি খোলার হার কমে যায়। এসব উদ্যোগের সুফল ব্যবসায়ীরা এখন পেতে শুরু করেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাণিজ্যে ঘাটতি পুরোপুরি কমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের আলোচ্য এই সময়ে চলতি হিসাবে কোনো ঘাটতি তৈরি হয়নি। উল্টো এই সূচকে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। এই সময়ে ১৯২ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত ছিলো। আগের অর্থবছরের একই সময়ে চলতি হিসাব ঘাটতিতে ছিলো। অর্থাৎ বছরের শুরুতে চলতি হিসেবে এখন ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিলো ৪৯২ কোটি ডলার।

চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হলো নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। সেই হিসাবে উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকা ভালো।

এদিকে দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কমেছে। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ যেখানে ২৫২ ডলারের এফডিআই পেয়েছিল। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে ১৮১ কোটি ডলারে নেমেছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ২৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সরাসরি মোট যে বিদেশি বিনিয়োগ আসে তা থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার অর্থ নিয়ে যাওয়ার পর যেটা অবশিষ্ট থাকে সেটাকে নিট এফডিআই বলা হয়। আলোচিত সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগও কমেছে। এ সূচকটি আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে ৭৫ কোটি ডলার হয়েছে। আগের অর্থবছর একই সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৮৯ কোটি ডলার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS