1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
Title :
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে নতুন বিতর্ক, মুখোমুখি গ্রাহক ফোরাম ও বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ৭ দফা দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত গভর্নর ডিস্ট্রেসড ঋণের হিসাব নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বক্তব্য কুমিল্লা ইলিয়টগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল যাত্রীবাহি বাস, আহত ১০ কুমিল্লায় ১০-বিজিবির অভিযানে ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উদ্বার সিলেটে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ টাকেন নিয়ে চরম ভোগান্তি চুয়াডাঙ্গায় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের রেইজ প্রকল্পের কমিউনিটি আউটরিচ সভা, তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষানবিশ নির্বাচনে নতুন সুযোগ ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মতবিনিময় সীমান্তে জোরপূর্বক পুশব্যাকের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন আহমদ শফী আইএফআইসি ব্যাংক ও বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেড এর মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর

সুইস ব্যাংকে অর্থপাচার, সর্বশেষ ১৭ জুন তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ

  • আপডেট : রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২২, ১২.১২ পিএম
  • ১৩৮ Time View

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের অর্থ রাখার বিষয়ে তথ্য জানাতে সর্বশেষ গত ১৭ জুনও চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। হাইকোর্টে দেওয়া প্রতিবেদন এ তথ্য জানা গেছে।

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিরা যেসব অর্থ জমা রেখেছেন বা পাচার করেছেন সে বিষয়ে সরকার এবং দুদক কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। সেই আলোকে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অর্থ জমা সংক্রান্ত তথ্য বিভিন্ন সময়ে তাদের কাছে চাওয়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পায়নি বাংলাদেশ।

আদালতে এদিন দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

জানা যায়, সুইস ব্যাংক চলতি বছরের ১৬ জুন বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরদিন এগমন্ড সিকিউর ওয়েব (ইএসডব্লিউ) এর মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যাংক ও ব্যক্তির জমানো অর্থের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের জন্য সুইজারল্যান্ডের এফআইইউকে (ফিনান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট) অনুরোধ করা হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পায়নি বাংলাদেশ।

অর্থপাচার ও সন্ত্রাসীকাজে অর্থায়ন প্রতিরোধ,অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য বিএফআইইউ বিদেশি এফআইইউদের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে। তবে বিশ্বব্যাপী এ সব তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যম হলো এগমন্ড সিকিউর ওয়েব (ইএসডব্লিউ)। ২০১৩ সালের জুলাইতে ইএসডব্লিউ’র সদস্য হওয়ার পর চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ৬৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চায় বাংলাদেশ। ইএসডব্লিউ’র মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের এফআইইউকে এ তথ্য দেওয়ার জন্য অনুরআধ করা হয়। কিন্তু একজন ছাড়া অন্যদের বিষয়ে কোনে তথ্য নেই বলে জানায় সুইজারল্যন্ড। আর এ একজনের তথ্য দুদককে দিয়েছে বিএফআইইউ।

গত ১০ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেছেন, সুইস ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জন্য তথ্য চায়নি। সুইস ব্যাংকের ত্রুটি সংশোধনে সুইজারল্যান্ড কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তবে আমি আপনাদের জানাতে চাই, সুইজারল্যান্ড কালো টাকা রাখার কোনো নিরাপদ ক্ষেত্র নয়।

সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, গত বছর সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছে। তবে উভয় দেশের সম্মতিতে ব্যাংকিং তথ্য লেনদেন হতে পারে এবং সেটা সম্ভবও। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি নজরে নিয়ে সুইস ব্যাংকে অর্থ জমাকারীদের তথ্য কেন জানতে চাওয়া হয়নি তা রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট।

তবে শুক্রবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সেটা তারা মিথ্যা বলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ফিন্যান্স সেক্রেটারি আমাকে আগে জানিয়েছিলেন, তারা তথ্য চেয়েছিলেন, তারা (সুইস ব্যাংক) উত্তর দেননি। আজকে আমি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে এটা নিয়ে কথা বলেছি। উনি আগে ফিনান্স সেক্রেটারিও ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, নো, আমরা আগে তথ্য চেয়েছি, তারা কোনো রেসপন্স করেননি। ‘তখন আমি বলেছি, এটা আপনি সবাইকে জানিয়ে দিন। বিকজ এভাবে মিথ্যা বলে পার পাওয়া উচিত নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com