1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
Title :
Price Sensitive Information of Mercantile Islami Insurance PLC রংপুর মহানগর পুলিশের অভিযানে ৩২ জন গ্রেপ্তার, চোরাচালানের পণ্য জব্দ ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ ফাইনাল আসর বসছে ৮ আগস্ট ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিকট সিলেট সেটেলমেন্ট আমিনস ইউনিয়নে স্মারকলিপি প্রদান সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে আর্গন ডেনিমস দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় বিক্ষোভ সমাবেশ; হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা

দেশ থেকে আড়াই-তিন লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে: গভর্নর

  • আপডেট : শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫, ১২.১৮ এএম
  • ৯৪ Time View

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, “দেশ থেকে আড়াই থেকে তিন লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের বড় শিল্প গ্রুপ আছে। বেক্সিমকোর পাচার করা অর্থ ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো। এগুলো শুধু বড় গ্রুপ। ছোটগুলোকে আপাতত দেখছি না।”

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং সমসাময়িক ব্যাংকিং বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

পাচার করা অর্থ ফেরানো প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, প্রথমে এস্টেটগুলো (সম্পত্তি) ফ্রিজ করার চেষ্টা করব। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমরা কথা বলছি, চিঠি দিচ্ছি। ল ফার্মগুলোর সঙ্গে কথা বলছি। শিগগিরই তাদের হায়ার (নিয়োগ) করা হবে। এস্টেট ট্রেসিং ফার্মের সঙ্গে কথা বলছি, যথেষ্ট সহযোগিতাও পাচ্ছি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এস্টেট ফ্রিজ করা হবে। এটিই হবে প্রাথমিক সফলতা।

আদালতের মাধ্যমে না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে টাকা ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, উল্লেখ করে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, সব বিষয় আদালতের মাধ্যমে নয়, আউট অব কোর্ট সেটেলমেন্ট বলে একটা কথা আছে। তার আগে সব তথ্য নিতে হবে। যখন সব তথ্য থাকবে, তখন তারা নেগোসিয়েশনে আসবে। নেগোসিয়শনে গেলে সব তথ্য নিয়েই যাওয়া লাগবে। না হলে তো আমরা ঠকে যাব।

তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ একেবারেই নতুন। এটি দেশের আইনে নয়, বিদেশের আইনের সঙ্গে সংযোগ করে করতে হবে। কোথায় কী আছে, সে তথ্য আগে আনতে হবে। এস্টেট ফ্রিজ করার পর আদালতের মাধ্যমে বাকি প্রক্রিয়া হবে।

দেশে মুদ্রাস্ফীতি প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, আগে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে দেখানো হতো। খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি ৯-১০ শতাংশ দেখানো হতো। কিন্তু, প্রকৃতভাবে দেখা গেছে ১৩-১৪ শতাংশ। গত মাসে সেটি দেখা গেছে ৮-৯ শতাংশে আছে। সামগ্রিকভাবে মুদ্রাস্ফীতি স্বস্তির দিকেই আছে। আগামী বছর সেটিকে ৫ শতাংশ বা তার নিচে নামিয়ে আনতে পারব বলে ধারণা করছি।

অর্থ পাচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেকে জড়িত আছে, এ বিষয়ে গভর্নর বলেন, অমূলক তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে চাকরিচ্যুত করার পক্ষে আমি নই। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকলে আমরা ব্যবস্থা নেব। দুদক বা রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা যদি তথ্য-প্রমাণ দেয় যে কেউ জড়িত আছে, আমরা ব্যবস্থা নেব। যাদের বিরুদ্ধে তথ্য আছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. জোবাইর হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পরিচালক মো. আনিসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পরিচালক মো. সালাহ উদ্দীন, মো. আরিফুজ্জামন, মো. আশিকুর রহমান ও স্বরুপ কুমার চৌধুরী।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com