দশ হাজার কোটি টাকার রফতানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিলে (ইএফপিএফ) অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড । গত ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১০ হাজার কোটি টাকার রফতানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিলে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে শরী‘আহ ভিত্তিক ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের উপস্থিতিতে
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) চেয়ারম্যান মাহবুব-উল-আলম এবং অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) আবু রেজা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাংকটির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত
বাংলাদেশ সরকারের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত আইএমএফের নির্বাহী
রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ‘রপ্তানি সহায়ক
বাংলাদেশকে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পর্ষদে উঠছে। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফ’র নির্বাহী বোর্ডের সভা বসবে। সভায়
শীঘ্রই ডিজিটাল ব্যাংক চালুর পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। রোববার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং বলেন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ হতে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক খাত শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ জন্য ব্যাংক খাতের সমন্বিত ও সার্বিক
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার সহায়তা নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অর্থাৎ গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের বৈদেশিক মুদ্রার ৮০ শতাংশই ব্যয় করেছে সরকারি আমদানিতে।
ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) ঋণ বিতরণ, আদায় ও খেলাপিসহ সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মেহমুদ হোসেনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। এতে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। আর পারফরম্যান্সের বিষয়ে