তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে সংঘটিত ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৬ দিন পেরিয়েছে। সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কমছে ধ্বংস্তূপের নিচে আটকেপড়াদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা। বিপরীতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতদেহ উদ্ধারের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৬ দিনের মাথায় নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়ালো। ধ্বংসস্তুপে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধার করতে এখনো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। স্থানীয় সময় শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুসন্ধান
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পের ১২৯ ঘণ্টা পর পাঁচ সদস্যের পরিবারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তুরস্কের গাজিয়ানতেপ প্রদেশের নুরদাগ শহরের একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিবারটিকে বের করে আনে উদ্ধারকর্মীরা। এ সময়
তুরস্ক এবং সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই একদিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। শনিবার দেশটির তালাউদ দ্বীপপুঞ্জের কাছে রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
প্রচলিত আছে, রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও পৃথিবীর কোনো না কোনো প্রান্তে একই রকম দেখতে দুজন মানুষের দেখা মেলে। আগেও এমন অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। তবে এবারের বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। কারণ,
গত ৫ দিনে তুরস্ক ও সিরিয়া থেকে উদ্ধারকৃত মৃতদেহের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ২৪ হাজারে। ইট-কংক্রিটের স্তূপের মধ্যে জীবিত অথবা মরদেহের সন্ধানে এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। অভিযানে যোগ দিয়েছে বহু দেশের হাজার
জ্বালানি তেলের উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যালেকজান্ডার নোভাক জানিয়েছেন, মার্চে দৈনিক পাঁচ লাখ ব্যারেল তেল কম উৎপাদন করা হবে। সম্প্রতি রুশ তেল ও এ সম্পর্কিত পণ্যের ওপর
আরও কমেছে পাকিস্তানের রিজার্ভ। হাতে আছে আর মাত্র ১৭ দিনের আমদানি ব্যয়। ৩ ফেব্রুয়ারি স্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তানের তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ আর্থিক সংকটে থাকা দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও ১৭
তুরস্কের আদিয়ামান শহরে ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশি উদ্ধারকারী দল। বৈরি আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়েই অভিযান চালাচ্ছেন সেনাবাহিনীর সদস্য ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। তুরস্ক-সিরিয়ায় গেল
ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কে ১৮ হাজার ৯৯১ জন। আর সিরিয়ায় ৩ হাজার ৩৩৭ জন। উভয় দেশের কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত