সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ

রিজার্ভ বেড়ে ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪
  • ২৩২ Time View

রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকা-ডলার অদলবদল (সোয়াপ) সুবিধা চালুর পরে এবার বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ বেড়ে ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের ঘরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাতে এ তথ্য জানা গেছে। আজ রিজার্ভ বেড়ে ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যা গত সোমবার ২০ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছিল। বিদেশ থেকে ঋণ নেয়াসহ বিভিন্ন উপায়ে ওই সময় রিজার্ভ বাড়ানো হয়। এরপর সংকটের কারণে ২৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে কমতে–কমতে গত নভেম্বর শেষে ১৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। এরপর আবারও বেড়ে ডিসেম্বরে ২১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন হয়। তবে জানুয়ারি শেষে আবার কমে ১৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। এখন সোয়াপের ফলে রিজার্ভ ফের বাড়ছে।

ব্যাংকাররা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা অনিশ্চয়তার কারণে প্রবাসী কিংবা রপ্তানিকারকদের অনেকে ডলার ধরে রাখছিলেন। এসব ডলার দেশে আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ডিসেম্বরে এক নির্দেশনার মাধ্যমে রেমিট্যান্সের সুবিধাভোগীর নামেও বৈদেশিক মুদ্রায় অ্যাকাউন্ট খুলে ডলার রাখার সুযোগ দেয়া হয়। এর বিপরীতে সুদ মিলছে ৭ থেকে ৯ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ থেকে দেশে ফিরে আরএফসিডি অ্যাকাউন্ট খুললে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত রেখে ৭ শতাংশের বেশি সুদ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে দেশে অর্থ আনতে বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকিং চ্যানেলে ৪২৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৬ কোটি ডলার বা ২১ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুর দিকে রেমিট্যান্স কম থাকায় অর্থবছরের ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী আয় বেড়েছে মাত্র ১০৫ কোটি ডলার বা ৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ সময় প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৫০৬ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৪০১ কোটি ডলার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS