সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
প্রাইম ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা, ২৫% ক্যাশ ও ৫% স্টক সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষে নিউ লাইন ক্লোথিংস সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষে আরএফএল সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক হলেন তাবিথ আউয়াল ও নাজনীন আহমেদ কালিয়ার যোগানিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘর সংস্কারের দাবি স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এ মাসব্যাপী আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও গ্রাহক সম্পৃক্তি ক্যাম্পেইন-এর উদ্বোধন এই প্রথম রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে আধুনিক চোখের অস্ত্রোপচার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কৃষিবিদ কাজল তালুকদার নগরকান্দায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত – ১০ সুনামগঞ্জের মান্নারগাঁওয়ে দখলীয় ভূমি জবর দখলের পাঁয়তারা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুটি এ্যাম্বুলেন্সই বিকল

মোহাম্মদ আলী স্বপন
  • আপডেট : সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৭০ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুটি এ্যাম্বুলেন্সই ছয় মাস ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এতে করে রোগী ও তাদের স্বজনেরা বিপাকে পড়েছেন। এ্যাম্বুলেন্স নষ্ট থাকায় এ্যাম্বুলেন্স চালকও বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। এতে মুমূর্ষূ রোগীদের যথা সময়ে জেলা সদরে অথবা পার্শ্ববর্তী বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাওয়া দুটি এ্যাম্বুলেন্স প্রথম দিকে ভালোই চলছিল। করোনাকালীন সময় একটি এ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বিকল হয়ে যায়। অন্যটি ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে মাঝে মাঝেই অচল হয়ে যেতো। গত ছয় মাস ধরে সেটিও সম্পূর্ণ রূপে বিকল।

জানা গেছে, একটি এ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনাজনিত কারণে ও অন্যটি যান্ত্রিক ত্রæটির কারণে বিগত ছয় মাস ধরে সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। এ্যাম্বুলেন্স বিকল থাকায় চালক আব্দুল মোমিনও গত ১৪ অক্টোবর বদলী হয়ে পার্শ্ববর্তী কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে গেছেন। এ কারণে মুমূর্ষু রোগীর আত্মীয় স্বজনকে নির্ভর করতে হচ্ছে ভাড়ায় চালিত এ্যাম্বুলেন্স এর ওপর। সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে প্রতি কিলোমিটার ১০ টাকা হিসেবে জেলা সদরে পৌঁচ্ছাতে লাগতো তিনশ টাকা। সেখানে বেসরকারি ভাড়ায় চালিত এ্যাম্বুলেন্স এর ভাড়া গুণতে হয় দুই হাজার থেকে ২৫০০ টাকা। আবার গর্ভবতী মাকে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সরকারি খরচে বহন করা হতো। কিন্তু তাদেরকেও সম্পূর্ণ ভাড়ার টাকা বাধ্য হয়ে দিতে হচ্ছে।

উপজেলার চকজয়কৃষ্ণপুর গ্রামের বসিন্দা আদাব আলী জানান, এক সপ্তাহ আগে তার এক নিকট আত্মীয় হার্টের সমস্যা নিয়ে তাড়াশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। কিন্তু সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন দুটি এ্যাম্বুলেন্সেই বিকল। তখন বাধ্য হয়ে ভাড়ায় চালিত এ্যাম্বুলেন্সে চার হাজার টাকায় বগুড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।

তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মোনোয়ার হোসেন বলেন, বিকল এ্যাম্বুলেন্স সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। আশা করি তারা সমস্যার সমাধান করবেন।

রায়গঞ্জ-তাড়াশ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তিনি কথা বলেছেন। শীঘ্রই এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি নতুন এ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS