সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আয়োজিত হলো নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে সংলাপ আমদানী পর্যায়ে সংগৃহিত আয়কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে করদাতার ই-রিটার্ন ক্রেডিট দেয়ার ব্যবস্থা চালু হলো কিশোরগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৫৭ প্রাথমিক স্কুল, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান পুঁজিবাজার সংস্কারের তিন ভিত্তি ২০২৫ সালের মধ্যেই সম্পন্ন: বিএসইসি চেয়ারম্যান বিভাগীয় পর্যায়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কমিউনিটি ব্যাংকের টিডিএফ উদ্যোক্তাদের রিফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর বীরগঞ্জের চাঞ্চল্যকর দানিউল হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকারী স্ত্রী সহ ৩ জন ইউনিমাস হোল্ডিংসের প্রপার্টি ফেয়ার শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাবজি মোবাইল রাইজিং স্টার টুর্নামেন্টের মাধ্যমে গেমিং জগতে যুক্ত হলো রবি ইসলামী ব্যাংকের উপশাখা ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তিতা খাবারের উপকারিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৫০ Time View

কেউ মিষ্টি খাবার পছন্দ করে, কেউ ঝাল আর কেউবা টক। কিন্তু তিতা খাবার পছন্দ করে এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল। এ জন্য মুখেও নিতে চান না অনেকে। তবে আপনি জানেন কি, তিতা খাবারগুলোই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী তিতা স্বাদের খাবারগুলো-

করলা

সবজির মধ্যে করলা সবচেয়ে তিতা স্বাদের। এতে রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল, যা ক্যানসারের বৃদ্ধি কমায়। করলা ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও মহৌষধ। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায় এবং কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে।

করলা ভাজি খুবই জনপ্রিয় খাবার। তবে এর সঙ্গে আপনি অন্য সবজি মিশিয়েও ভাজি করতে পারেন। এতে তিতাভাব একটু কম লাগে। এ ছাড়া যেকোনো মাছের তরকারিতে করলা দিয়ে রান্না করতে পারেন। শুধু রান্নার পূর্বে করলা লবণ দিয়ে ধুয়ে নিলে এর তিতা ভাব কমে যাবে। অনেকে আবর সরাসরি করলার জুস বানিয়ে খায়। যা খুবই স্বাস্থ্যকর।

লেবুর খোসা

লেবু খেয়ে খোসা ফেলে দেয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু লেবুর খোসা তিতা হলেও স্বাদযুক্ত। এর খোসায় আছে ফ্ল্যাভোনয়েড যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে বিবেচিত। তাই এরপর থেকে শুধু লেবু চিপে লেবুর রস নয় সঙ্গে খোসাও চিবিয়ে খাবার চেষ্টা করুন।

লেবুর খোসা কুচি করে চা, সালাদ বা তরকারিতেও ব্যবহার করতে পারেন।

পাটশাক

তেতো হলেও গ্রামাঞ্চলে বেশি জনপ্রিয় পাটশাক। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায় এবং রক্তস্বল্পতা দূর করে।

অনেক জায়গায় ডাল দিয়ে পাটশাক রান্না করার প্রচলন আছে।

সরিষার শাক

সরিষার শাক বিটা ক্যরোটিন, ভিটামিন সি ও ই সমৃদ্ধ। এতে গ্লুকোসিনোলেটস নামের এক ধরনের উদ্ভিত যৌগ আছে, যা ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রোধ করে। সরিষা পাতার রস ফুসফুস এবং কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আলু দিয়ে সরিষার শাক রান্না কিংবা ভাজি করে খেতে ভালো লাগে।

মেথি শাক

মেথি শাক তিতা হলেও এটি উপকারী। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ, রক্তস্বল্পতা কমায়, লিভারের কাজ সক্রিয় করে, হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে মেথি শাক। মেথি শাক বেশি করে পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে ভেজে খেতে পারেন। এ ছাড়া এটি ভর্তা করেও খাওয়া যায়।

নিম পাতা

নিম পাতা রক্ত, পেট এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে। এতে প্রচুর পরিমাণ ক্লোরোফিল আছে, যার জন্য এটি ঔষধি গুণসম্পন্ন। নিম পাতা রস করে সরাসরি  খেতে পারেন।

কোকো পাউডার-

কোকো বীজ থেকে বানানো হয় কোকো পাউডার। এটি কপার, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রনসহ বেশ কয়েকটি পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। যেকোন মিষ্টান্নতে কোকো পাউডার যোগ করে কিংবা চকলেট হিসাবে কোকো খাওয়া যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS