1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
Title :
তিন মাসে রপ্তানি আয় ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬.৩৪% রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রি-শিপমেন্ট ঋণের তহবিল বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে সাড়ে ৮%, রেমিট্যান্স ৩% ধানমন্ডিতে ২৪ হাজার ৩২১ বর্গফুটের বাণিজ্যিক স্পেস কিনবে ইবনে সিনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ রূপগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, রক্তাক্ত জখম ও টাকা ছিনতাই মেশিনারিজের আড়ালে অবৈধভাবে এসি আমদানি করছে হায়ার বাংলাদেশ ‎নবীনগর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে মাদকাসক্ত যুবককে গাঁজা খেতে না দেওয়ায় পূজায় বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সে ৩% প্রবৃদ্ধি, এসেছে ২৭৬.৬ কোটি ডলার জুলাই-আগস্টের অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে সময় বাড়ল, শেষ সময় ১৫ অক্টোবর

জ্বালানি আমদানির জন্য ডলার সহায়তা চেয়েছে বিদ্যুৎ খাতের উদ্যোক্তারা

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ১০.৪৮ এএম
  • ২৪৩ Time View

বিশ্ববাজারে ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জ্বালানির মূল্য বেড়ে গেছে। দেশে ডলার সংকটের কারণে জ্বালানি তেল আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন বিদ্যুৎ খাতের উদ্যোক্তারা। এমন পরিস্থিতিতে সামনে লোডশেডিং ঠেকাতে জ্বালানি আমদানি অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এজন্য জ্বালানি আমদানির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ডলার সহায়তা দরকার বলে জানিয়েছেন বেসরকারি বিদ্যুৎ খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রোডিউসার অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ) নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বিআইপিপিএ নেতৃবৃন্দ দেখা করে এ দাবি তুলেন।

এদিন সংগঠনটির সভাপতি ফয়সাল খান বলেন, ‘জ্বালানি তেলের মজুদ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে আগামী মার্চ পর্যন্ত। তবে এটুকুও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট নয়। জ্বালানি তেল আমদানি করতে না পারলে সারাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং তীব্র হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। যদিও মার্চ থেকে দেশে তীব্র গরমের জন্য আবাসিক ও শিল্পসহ প্রায় সব খাতেই চাহিদা ব্যাপক মাত্রায় বেড়ে যায়। এ অবস্থায় বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই। এজন্য রিজার্ভ থেকে প্রতিমাসে ১৫০ মিলিয়ন থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দরকার। যদিও সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি আমদানিতে ডলার সহায় দিয়ে আসছিল। কিন্তু তা যতেষ্ঠ নয়। কারণ বর্তমান ডলার সংকটের কারণে অনেক কোম্পানির জ্বালানি আমদানি কমেছে।

এদিকে বর্তমানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) তুলনায় ফার্নেস অয়েলভিত্তিক (এইচএফও) কেন্দ্রগুলোর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় কম। এ মুহূর্তে সরকারও এটিকে বিবেচনা করছে ব্যয়সাশ্রয়ী জ্বালানি হিসেবে। কিন্তু আমদানি করতে না পারায় এখন এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উদ্যোক্তাদের মধ্যেও দেখা গেছে দুশ্চিন্তা।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে দেয়া এক চিঠিতে বিআইপিপিএ এর পক্ষ থেকে কতগুলো লিখিত সুপারিশ করা হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– জ্বালানি আমদানির জন্য এলসি খুলতে স্থানীয় ব্যাংকের বিশেষ উদৈাগ নিতে হবে। এলসির সঙ্গে জড়িত ব্যাংকগুলোকে চাহিদা অনুযায়ী ডলার সরবরাহ করতে হবে। এই খাতের উদ্যোক্তাদের একক ব্যক্তি ঋণের সীমা বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দীর্ঘ বকেয়া বিল পরিশোধে কার্যকরী উদৈাগ নিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com