1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
Title :
পিছিয়ে পড়া নারী ও শিশুদের এগিয়ে নিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিতে হবে; গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আলকুরআনের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় শান্তিপূর্ণ ৩দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী সমাজ ভিভো ওয়াই৩২: আসছে একটি নির্ভার দিনের সঙ্গী মাদকের বিরুদ্ধে কোনো তদবির চলবে না, প্রতি মন্ত্রী টুকু আলোচনা সভায় বক্তারা, ‘সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ধর্মের ভূমিকা অপরিহার্য’ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা, টাঙ্গাইলে পৈতৃক জমি বনাম দখলের লড়াই কোটাকোল ইউনিয়নের আয়োজনে বড়দিয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ফুডপান্ডার অতিরিক্ত কমিশন ও বিভিন্ন চার্জের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত নড়াইলে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের চাঁদাবাজির অভিযোগে কুমিল্লার ‘কানা মমিন’ গ্রেপ্তার

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ৩,৯৬২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ ৬ মাসে

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ৬.১০ পিএম
  • ১৯৫ Time View

দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা। একইসঙ্গে ভীষণভাবে বেড়েছে সেবাটির জনপ্রিয়তা। এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ গ্রামীণ অর্থনীতি বেশ চাঙা হচ্ছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩ হাজার ৯৬২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩ হাজার ৯৬২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এর আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যার পরিমাণ ১ হাজার ৫০১ কোটি টাকা বেশি। ২০২১ সালের একই সময়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিলো ২ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোয় ঋণ জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ পায়। ব্যাংক খাতের এমন অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবেও সার্বিকভাবে আমানত কিছুটা কমেছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে রাখা আমানতের পরিমাণ ২৯ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে যার পরিমাণ ছিলো ৩ হাজার ১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ চার বছরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে আমানত বেড়েছে ২৬ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা।

জানা যায়, দেশের ব্যাংক খাতে ২০১৪ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। যাত্রা শুরুর মাত্র ৯ বছর শেষে এই সেবার গ্রাহক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৪টি। সদ্য বিদায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরে দেশব্যাপী পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে এরকম এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫ হাজার ২২৬টি। আর এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট বেড়ে হয় ২০ হাজার ৮৩৬টি।

এজেন্ট ব্যাংকিং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও ব্যয়সাশ্রয়ী হওয়ায় জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এজেন্ট আউটলেটে একজন গ্রাহক সহজেই তার হাতের আঙুলের স্পর্শের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারেন। তাই গ্রামীণ জনপদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যকরী একটি উদ্যোগ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

জানা যায়, বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্রাজিল। আর বাংলাদেশে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে। নীতিমালা অনুযায়ী, এজেন্ট ব্যাংকিং পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে প্রত্যেক এজেন্টের একটি চলতি হিসাব থাকতে হয়। এ সেবার মাধ্যমে ছোট অঙ্কের অর্থ জমা ও উত্তোলন করা যায়।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স স্থানীয় মুদ্রায় বিতরণ, ছোট অঙ্কের ঋণ প্রদান ও আদায় এবং এককালীন জমার কাজও করেন এজেন্টরা। তাঁদের মাধ্যমে বিভিন্ন উপযোগ সেবার বিল পরিশোধের পাশাপাশি সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর অর্থও উত্তোলন করা যায়। এ ছাড়া নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব খোলা, ঋণ আবেদন, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নথিপত্র সংগ্রহ করতে পারেন এসব এজেন্ট। তবে এখনো বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের কোনো সুযোগ নেই এজেন্টদের।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com